হিস্টামিন
শব্দ উৎস: ইংরেজি: histamin>বাংলা হিস্টামিন

রূপতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ
:  ল্যাটিন হিস্টোস
(Histos) শব্দটির অর্থ প্রাণী কলা। এর সাথে প্রাণিজ এ্যামিন (Amine) যুক্ত হয়ে হিস্টামিন শব্দটি উৎপন্ন হয়েছে।

রাসায়নিক নাম: বিটা ইমিডাজ্যিল এসিটাইলকোলিন
(Beta-imidazoyl acetylcholine) বা বিটা ইমিডাজ্যিল ইথাইল এমিন (Beta-imidazoyl ethyl amine)

এর রাসায়নিক সংকেত C5H9N3। ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে Windaus এবং Vogt

কৃত্রিমভাবে হিস্টামিন তৈরি করতে সক্ষম হন। সে সময়ে হিস্টামিন যে প্রাণীদেহে পাওয়া যায়, তা জানা যায় নি। ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে Barger এবং Dale প্রথম ইস্ট থেকে হিস্টামিন নিষ্কাষন করেন।
১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে বেষ্ট এবং তাঁর কয়েকজন সহকর্মী যকৃত ও ফুসফুসের কোষে হিস্টামিনের উপস্থিতি আবিষ্কার করেন। এই বছরেই বিজ্ঞানী লুইস প্রমাণ করেন যে, হিস্টামিন নিঃসরণ হয় আহত টিস্যু থেকে এবং অ্যান্টিজেন অ্যান্টিবডি পারস্পরিক ক্রিয়ার কারণে এর অবমুক্তি ঘটে।

বর্তমানে হিস্টামিনকে জৈবিক উপাদান বা এ্যামিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একটি ইমিডাজল (imidazole) বিষমচক্রের সাথে ইথাইল এমিন (ethanamine) সংযুক্ত হয়ে হিস্টাসিন তৈরি হয়।

হিস্টামিন সকল স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহকলায় উপস্থিত থাকে। কেন্দ্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের মধ্যে থেকে নিউরোট্রান্সমিটার হিসেবে কাজ করে। এছাড়া  শরীরের রোগ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায়, শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।