|
Kingdom: Plantae
Order: Fabales
Family: Fabaceae
Subfamily: Caesalpinioideae
Tribe: Cassieae
Subtribe: Cassiinae
Genus: Senna
|
কালকাসুন্দা
সংস্কৃত :
কাশমার।
বাংলা: কালকাসুন্দা, কালকাসুন্দি,
কালকেসেন্দা।
Senna
গণের অন্তর্গত উদ্ভিদ বিশেষ। আগে এই গাছ
Cassia গণের অন্তর্গত ছিল।
Senna
গণের দুটি প্রজাতিকে বাংলাদেশে কালকাসুন্দা বলা হয়। এর একটির নাম বড় কালকাসুন্দা (Senna
occidentalis ) এবং ছোটো
কালকাসুন্দ (Senna
sophera)।
-
বড়
কালকাসুন্দা
Senna
occidentalis
হিমালয়
থেকে সিংহল পর্যন্ত এবং ভারতের পশ্চামঞ্চল থেকে মায়ানমার পর্যন্ত এই গাছ প্রচুর
দেখা যায়। এটি গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। পূর্ণবয়স্ক কালকসুন্দা (কালকসিন্দ)
গাছ ৭ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। তবে গড় উচ্চতা ৫ ফুটের কাছাকাছি। কাণ্ডের রং
গাঢ় সবুজ। বেশ শক্ত। গাছের কাণ্ডের বেড় ৫ ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে। কাণ্ডের
নিচের দিক থেকেই অসংখ্য ডালপালা বের হয়। তাই অল্প দিনের ভেতরেই একটা গাছই একটা
ছোটখাট ঝোপে পরিণত হয়। এর পাতা যৌগিক। একটা বোটায় ৫-১০ জোড়া পাতা থাকে। বোটার
দৈর্ঘ্য ১০-১২ ইঞ্চি। পাতারি প্রতিটা পাতার দৈর্ঘ্য ১.৫-২ ইঞ্চি।
এর
ফুল সোনালি-হলুদ রঙের। এর মঞ্জরী ও বোটা হলদেটে সবুজ। মঞ্জরী বহুপুষ্কক। একটা
মঞ্জরীতে ৫-১০ টা ফুল থাকতে পারে। ফুলের ব্যাস ১ ইঞ্চি। একটা ফুলে ৫ টা পাঁপড়ি
থাকে। সাধারণত ফাল্গুন মাসের শুরু দিকে ফুল ফুটতে শুরু করে।
এই গাছের ফল লম্বাটে শুঁটি। এর ভিতরে প্রায় ৫ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়।
প্রতিটি ফলের ভিতর ৩০-৪০ বিঁচি থাকে। বিঁচি দেখতে অনেকটা মুগ ডালের মতো। তবে
আকারে কিছুটা বড়। এর বীজ দ্বিবীজপত্রী।
সাধারণ বর্ষা থেকে শরৎকালের মধ্যে এই গাছ জন্মায়। আর শীতের শেষ পর্যন্ত বাড়তে
থাকে।
এই গাছের বীজ ও পাতা চর্মরোগের জন্য উপকারী। কবিরাজী মতে সর্পবীষ নাশকারী।
- ছোট কালকাসুন্দা
Senna
sophera
এই গাছ বড় কালকসুন্দার
মতই। আকারে ছোটো বলেই হয়তো এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। এর পাতাগুলো বেশ ক্ষুদ্র।
গাছগুলো লম্বায় ছোটো হলেও কাণ্ড বেশ মোটা হয়।
এই উদ্ভিদের পাতা ফিতা কৃমিরোগে বাহ্য প্রয়োগ করতে হয়। গাছের বাকল শ্বাসকষ্টের
জন্য উপাকারী
সূত্র :
ভারতীয় বনৌষধি। দ্বিতীয় খণ্ড। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ২০০২।
http://en.wikipedia.org/wiki/Senna_(plant)