|
![]() |
Gigantopithecus blacki -এর চোয়াল |
চীনে এই প্রজাতির বিশাল দাঁত এক সময়
স্থানীয় চিকিৎসকরা গুঁড়ো করে ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করতো। ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দের দিকে
ওলন্দাজ প্রত্নতত্ত্ববিদ
von Koenigswald
হংকং-এর একটি দোকান থেকে মানুষের দাঁতের চেয়ে প্রায় ছয় গুণ বড় দাঁত সংগ্রহ
করেন। পরে এই দন্তধারী জীবের গণের নামকরণ করেন
Gigantopithecus।
পরে বিজ্ঞানীরা কিছু দাঁত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিলেন। ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে
Gigantopithecus blacki-এর
দাঁত উদ্ধার করা হয়। এই দাঁতগুলো পাচার হয়েছিল ড্রাগনের দাঁত নামে। এই জাতীয়
আরো দাঁতের সন্ধান করতে উদ্ধার হয় ৩টি চোয়ালসহ দাঁতের পাটি। সেই সাথে প্রায়
১৩০০ দাঁত।
বিজ্ঞানীদের ধারণা জাইগ্যান্টোপিথেকাসরা বর্তমানের গরিলা বা শিম্পাঞ্জির মতো হাঁটতো। এদের চোয়াল ছিল বিশাল। এই চোয়ালে দাঁতগুলো ছিল ঘনভাবে সন্নিবেষ্টিত। নিচের চোয়ালের এমন কিছু দাঁত পাওয়া গেছে, যেগুলোর দৈর্ঘ্য প্রায় ২২ মিলিমিটার।
জাইগ্যান্টোপিথেকাসের প্রজাতিসমূহ
Gigantopithecus blacki : চীন এবং ভিয়েৎনামে এই প্রজাতির দাঁত এবং চোয়ালের জীবাশ্ম পাওয়া গেছে। ১০ লক্ষ পূর্বাব্দে চীন, ভিয়েৎনাম ইন্দোনেশিয়া জুড়ে
![]() |
Gigantopithecus bilaspurensis |
বসবাস করতো। প্রায় ১ লক্ষ পূর্বাব্দে এরা
বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এদের গড় উচ্চতা ছিল ৯.৮ ফুট এবং ওজন ছিল প্রায় ৫৪০ কেজি।
ধারণ করা হয়, কোনো কোনো পুরুষ ব্ল্যাকি হয়তো ১২ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে। এরা
পাণ্ডাদের পূর্ব-পুরুষদের এলাকায় বসবাস করতো। এই বিচারে ধারণ করা হয়, পাণ্ডার
পূর্ব-পূরুষদের মতো এরা বাঁশবনে বসবাস করতো এবং এদের খাদ্য তালিকায় বাঁশ ছিল।
Gigantopithecus bilaspurensis:
এই জীবাশ্ম পাওয়া গেছে ভারতে। এর ৯০ লক্ষ থেকে ৬০ লক্ষ পূর্বাব্দে ভারতে বসবাস
করতো। ধারণা করা হয়, এই প্রজাতির সাথে ব্ল্যাকিদের নিকট সম্পর্ক ছিল।
Gigantopithecus giganteus : এই প্রজাতির জীবাশ্ম পাওয়া গেছে উত্তর ভারত ও চীনের গুয়াংসি অঞ্চলে। ধারণা করা হয়ে এদের আকার ছিল ব্ল্যাকিদের চেয়ে প্রায় অর্ধেক
সূত্র: