ওঁ তৎ সৎ" অথবা "হ্রীং শ্রীং ক্রীং পরমেশ্বর্যৈ নমঃ"।
চক্র অনুষ্ঠান: সাধকদের একটি চক্রে (ভৈরবী চক্র) বসে গুরু বা কোনো প্রধান ব্যক্তির উপস্থিতিতে এই বিবাহ সম্পন্ন হয়।
পারস্পরিক সম্মতি: পাত্র ও পাত্রী একে অপরের হাত ধরে মন্ত্র উচ্চারণ করে এবং পরস্পরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করে।
পবিত্রতা: এই বিবাহে কোনো পশুবলি বা অনাচার নিষিদ্ধ, বরং এটি অত্যন্ত ভক্তি ও শুদ্ধি সহকারে করা হয়।
সাধারণ তান্ত্রিক আচারে মুদ্রা হিসেবে ভাজা চাল, তিল বা শস্য ব্যবহৃত হয়। তত্ত্বের দৃষ্টিতে এর একটি সুন্দর ব্যাখ্যা আছে:
শস্যকে ভাজলে যেমন তা থেকে আর নতুন করে
অঙ্কুর জন্মায় না, তেমনি জ্ঞানাগ্নিতে দগ্ধ হওয়া সাধকের বাসনাগুলো থেকে আর
নতুন করে 'জন্ম-মৃত্যুর
বীজ' বা কর্মফল জন্মায় না। অর্থাৎ, বাসনামুক্ত হওয়াই হলো তত্ত্বচক্রে
মুদ্রা ভক্ষণ।
তন্ত্রশাস্ত্রে সতর্ক করা হয়েছে যে, যারা কামাসক্ত বা যাদের মন অপবিত্র, তারা যেন এই সাধনায় প্রবৃত্ত না হয়। তত্ত্বচক্রে মৈথুনের নামে কোনো প্রকার ব্যভিচার বা অনাচার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এখানে সাধক ও সাধিকা একে অপরকে রক্ত-মাংসের শরীর হিসেবে নয়, বরং শিব ও শক্তি হিসেবে দেখেন।
সূত্র: