হযরত সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভাণ্ডারী (রহ.)
মাইজভাণ্ডারী তরিকার সাধক
১৮৯৩-১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দ

১৮৯৩  খ্রিষ্টাব্দের ২৭ ফেব্রুয়ারি (১৩ ফাল্গুন ১২৯৯) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে জন্মগ্রহণ করেন। মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের প্রথম সাজ্জাদানশীন।

তাঁর পিতা ছিলেন  গাউসুল আজমের পুত্র  হযরত সৈয়দ ফয়জুল হক মাইজভাণ্ডারী (রহঃ)-এর সন্তান। মায়ের নাম সৈয়দা ফাতেমা বেগম। স্ত্রীর নাম সৈয়দা সাজেদা খাতুন। তাঁর কন্যা সৈয়দা সাজেদা খাতুন এবং পুত্র শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (রহঃ) (১৯২৮-১৯৮৮), যিনি মাইজভাণ্ডারী তরিকার আরেকজন বিখ্যাত সাধক।

পাঁচ বছর বয়সে দাদা গাউসুল আজমের তত্ত্বাবধানে প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করেন। বাবুনগরের মৌলানা ওয়ালিউল্লাহ এবং মির্জাপুরের মৌলানা হাফেজ কারী তোফাজ্জল হোসাইনের কাছ থেকে আরবি, ফারসি, উর্দু ভাষায় ধর্মীয় গ্রন্থ অধ্যয়ন করেন। তিনি কুরআন, হাদিস, ফিকহ এবং ইসলামী দর্শনের পাশাপাশি বাংলা সংবাদপত্র, মাসিকপত্র পড়ে সাধারণ জ্ঞান অর্জন করেন। তাঁর পীর-ই-বায়ত (বাইআতের গুরু) ছিলেন হযরত সৈয়দ আমিনুল হক ওয়াসেল মাইজভাণ্ডারী (রহঃ), এবং পীর-ই-তাফাইজ (আধ্যাত্মিক অনুগ্রহের গুরু) ছিলেন গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (রহঃ) এবং হযরত বাবা ভাণ্ডারী (রহঃ)। গাউসুল আজম তাঁকে "নওয়াব" এবং "সুলতান" (আধ্যাত্মিক সাম্রাজ্যের রাজা) বলে সম্বোধন করতেন। ওফাতের কয়েকদিন আগে গাউসুল আজম তাঁকে গদী শরীফের উত্তরাধিকারী ঘোষণা করেন, বলেন: "আমার 'দেলাময়না' বালেগ। দেলাময়নাই আমার গদীতে বসবে।"

অবদান:

১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ জানুয়ারি মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে মৃত্যুবরণ করেন।