মাইজভাণ্ডারী তরিকার
সাধক
১৯৩৬-২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দের চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বিখ্যাত মাইজভাণ্ডার শরীফে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন মাইজভাণ্ডারী তরীকার অন্যতম দিকপাল হযরত
হযরত সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভাণ্ডারী (রহ.)-এর মেজ পুত্র
এবং মাইজভাণ্ডারী তরীকার প্রবর্তক গাউছুল আজম হযরত শাহ সূফী মাওলানা সৈয়দ আহমদ
উল্লাহ (ক.) মাইজভাণ্ডারীর প্রপৌত্র। তিনি মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের 'গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিল'-এর সাজ্জাদানশীন হিসেবে দীর্ঘদিন আধ্যাত্মিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালন করেছেন।
অবদান:
- মানবসেবা ও সমাজ সংস্কার: আধ্যাত্মিক
চর্চার পাশাপাশি মানবসেবাকে
প্রাধন্য দিয়েছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে স্রষ্টার সন্তুষ্টি পেতে হলে সৃষ্টির সেবা করা অপরিহার্য। তিনি শিক্ষা বিস্তার, আর্তমানবতার সেবা এবং সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। উনার তদারকিতে অনেক মাদরাসা ও এতিমখানা পরিচালিত হতো। তিনি আধুনিক শিক্ষার সাথে আধ্যাত্মিক শিক্ষার সমন্বয়ে বিশ্বাসী ছিলেন, যাতে মানুষ সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
- মাইজভাণ্ডারী দর্শনের প্রচার
মাইজভাণ্ডারী তরীকার মূল শিক্ষা, অর্থাৎ সকল ধর্মের মানুষের প্রতি সহমর্মিতা, অসাম্প্রদায়িকতা এবং আল্লাহ-প্রেমকে
তিনি বিশ্বব্যাপী প্রচার করেছেন। উনার বিনয়ী আচরণ এবং জ্ঞানগর্ভ আলোচনা মানুষকে ইসলামের প্রকৃত ও শান্তিময় রূপের দিকে আকৃষ্ট করত।
২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের
১৩ এপ্রিল
মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে মৃত্যুবরণ করেন।