বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
সহে না, সহে না, কাঁদে পরাণ।
পাঠ ও পাঠভেদ:
সহে না, সহে না, কাঁদে পরাণ।
সাধের অরণ্য হল শ্মশান।
দস্যুদলে আসি শান্তি করে নাশ,
ত্রাসে সকল দিশ কম্পমান।
আকুল কানন, কাঁদে সমীরণ,
চকিত মৃগ, পাখি গাহে না গান।
শ্যামল তৃণদল, শোণিতে ভাসিল,
কাতর রোদনরবে ফাটে পাষাণ।
দেবী দুর্গে, চাহো, ত্রাহি এ বনে,
রাখো অধীনী জনে, করো শান্তি দান।
দ্বিতীয় সংস্করণ (আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, ১২৯২)। প্রথম দৃশ্য। বনদেবীগণের গান। সিন্ধু কাফি। পৃষ্ঠা: ১। [নমুনা]
স্বরবিতান ৪৯, বাল্মীকিপ্রতিভা (বিশ্বভারতী চৈত্র ১৪১৩)।
রেকর্ডসূত্র:
প্রকাশের কালানুক্রম: বাল্মীকি প্রতিভার প্রথম সংস্করণে (১২৮৭ বঙ্গাব্দ) গানটি ছিল না। এই গ্রন্থের
দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় ১২৯২ বঙ্গাব্দের ফাল্গুন মাসে।
গ. সঙ্গীতবিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপি: [স্বরলিপি]
স্বরলিপিকার:
সুর ও তাল:
স্বরবিতান ৪৯ খণ্ডে (বিশ্বভারতী, চৈত্র ১৪১৩) গৃহীত গানটির স্বরলিপিতে রাগ-তালের উল্লেখ নেই। উক্ত স্বরলিপিটি মাত্রা ছন্দে '' তালে নিবদ্ধ।
রাগ : সিন্ধু, কাফি। তাল : কাহারবা। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা, সুধীর চন্দ, প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬], পৃষ্ঠা: ৮১।
রাগ: পিলু বারোয়াঁ। তাল: কাহারবা। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১], পৃষ্ঠা: ১৪১।
বিষয়াঙ্গ:
সুরাঙ্গ:
গ্রহস্বর:
লয়: