বিষয়:
রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
পাঠ ও পাঠভেদ:
প্রথম শিকারী। চল্ চল্ ভাই,
ত্বরা ক'রে মোরা আগে যাই।
দ্বিতীয়। প্রাণপণ খোঁজ্ এ বন, সে বন!
তৃতীয়। চল্ মোরা ক'জন ও দিকে যাই।
প্রথম। না না ভাই, কাজ নাই—
হোথা কিছু নাই— কিছু নাই—
ওই ঝোপে যদি কিছু পাই।
তৃতীয়। বরা! বরা!
প্রথম। আরে, দাঁড়া দাঁড়া,
অত ব্যস্ত হলে ফস্কাবে শিকার।
চুপি চুপি আয়, চুপি চুপি আয়
ওই অশথতলায়।
এবার ঠিক্ঠাক্ হয়ে সবে থাক্—
সাবধান, ধরো বাণ—
সাবধান, ছাড়ো বাণ।
দুই-তিন জন। গেল গেল, ওই ওই পালায় পালায়।
চল্ চল্—
ছোট্ রে পিছে, আয় রে ত্বরা যাই॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: পাওয়া যায়নি।
পাঠভেদ:
কাব্যগ্রন্থাবলী [আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩। বাল্মীকি প্রতিভা। চতুর্থ দৃশ্য। দস্যুদের গান। বেহাগ। পৃষ্ঠা: ৩৩] [নমুনা]
কালমৃগয়া (অগ্রহায়ণ ১২৮৯ বঙ্গাব্দ)। বিশ্বভারতী কর্তৃক প্রকাশিত রবীন্দ্ররচনাবলী (অচলিত সংগ্রহ : প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩২৮-৩২৯)
কালমৃগয়া প্রথম সংস্করণ। (অগ্রহায়ণ ১২৮৯ বঙ্গাব্দ)। পঞ্চম দৃশ্য। শিকারীগণের গান।
স্বরবিতান ২৯,
কালমৃগয়া (বিশ্বভারতী পৌষ
১৪১২)। বাণী অংশ: পৃষ্ঠা ১৬।
স্বরলিপি অংশ: পৃষ্ঠা ৫২-৫৩। অহং-কাহারবা।
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী: কালমৃগয়ায় এটি শিকারীগণের গান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
স্বরলিপিকার:
ইন্দিরাদেবী চৌধুরানী। [স্বরবিতান ২৯, কালমৃগয়া (বিশ্বভারতী পৌষ ১৪১২)]
সুর ও তাল:
অহং-কাহারবা। [স্বরবিতান ২৯, কালমৃগয়া (বিশ্বভারতী পৌষ ১৪১২)]
রাগ: ভূপালী। তাল: কাহারবা। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬।] পৃষ্ঠা: ৫০।
গ্রহস্বর: গা।