বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
আনন্দগান উঠুক তবে বাজি
আনন্দধ্বনি জাগাও গগনে।
কে আছ জাগিয়া পুরবে চাহিয়া,
বলো ‘উঠ উঠ’ সঘনে গভীরনিদ্রামগনে॥
হেরো তিমিররজনী যায় ওই, হাসে উষা নব জ্যোতির্ময়ী—
নব আনন্দে, নব জীবনে,
ফুল্ল কুসুমে, মধুর পবনে, বিহগকলকূজনে॥
হেরো আশার আলোকে জাগে শুকতারা উদয়-অচল-পথে,
কিরণকিরীটে তরুণ তপন উঠিছে অরুণরথে—
চলো যাই কাজে মানবসমাজে, চলো বাহিরিয়া জগতের মাঝে—
থেকো না মগন শয়নে, থেকো না মগন স্বপনে॥
যায় লাজ ত্রাস, আলস বিলাস কুহক মোহ যায়।
ঐ দূর হয় শোক সংশয় দুঃখ স্বপনপ্রায়।
ফেলো জীর্ণ চীর, পরো নব সাজ, আরম্ভ করো জীবনের কাজ—
সরল সবল আনন্দমনে, অমল অটল জীবনে॥
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮। কাব্যগ্রন্থাবলী (১৩০৩ বঙ্গাব্দ) 'গান' অংশ থেকে গৃহীত হয়েছে । পৃষ্ঠা: ১২৬] [নমুনা]
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। স্বদেশ পর্যায়ের ১৯ সংখ্যক গান।
ভারততীর্থ (শ্রাবণ ১৩৫৪)।
রবীন্দ্রগ্রন্থাবলী (হিতবাদী ১৩১১)
শিশুতীর্থ
স্বরলিপিকার: ইন্দিরাদেবী চৌধুরানী
সুর ও তাল:
স্বরবিতান ৪৭ খণ্ডে গৃহীত গানে রাগ তালের উল্লেখ নেই। গানটি ৩।৩।৩।৩ এবং ৩।২।২ ছন্দে নিবদ্ধ। এই বিচারে গানটি একতাল ও দাদরা তালের তাল-ফেরতা হিসাবে গণ্য করা যায়।
রাগ: হাম্বীর। তাল: কাহারবা-তেওরা-দাদরা [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬। পৃষ্ঠা: ২৭]
রাগ: হাম্বীর। তাল: চতুর্মাত্রিক একতাল, তেওরা, একতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ৫২।]
গ্রহস্বর: গা।
লয়: দ্রুত।