সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান
শ্রবণ নমুনা: সুপর্ণা চৌধুরী |
গান-২
কুকুভা । আড়াঠেকা
কেন ভোলো, ভোলো চিরসুহৃদে? ভুলো না চিরসুহৃদে॥
ধন প্রাণ মান সকলি যাঁ হতে, এমন সুহৃদে কেন ভোলো?।
থেকো না, থেকো না, তাঁ হতে অন্তর;
তাঁরে ছেড়ে ত্রাণ কোথা, কোথা শান্তি বলো?
চিরজীবন-সখা চির-সহায়ে, করুণানিলয়ে কেন ভোলো?।
গ্রন্থভুক্তি
১. ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি, প্রথম খণ্ড, একাদশ
গান [সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ, (পৌষ ১৪১৭ বঙ্গাব্দ)]
২. ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি, দ্বিতীয় খণ্ড, অষ্টম গান [সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ, (১১ মাঘ
১৪০৭ বঙ্গাব্দ)]
প্রাসঙ্গিক বিষয়
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি, প্রথম খণ্ডে এই গানটি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু দ্বিতীয় খণ্ডে গানটিকে সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা হিসেবে প্রামাণাদি তুলে ধরা হয়েছে। এই বিষয়ে ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি দ্বিতীয় খণ্ডে বলা হয়েছে
'ব্রহ্মসঙ্গীত-স্বরলিপি (নব পর্যায়) প্রথম খণ্ডে এই গানটির সমাজে প্রচলিত সুরের স্বরলিপি প্রকাশিত হয়েছিল। গানটি মহর্ষির রচনা বলে উল্লেখ ছিল। কিন্তু শ্রদ্ধেয়া শ্রীযুক্তা ইন্দিরা দেবী চৌধুরানীর নিকট পরে জানা গেল যে ইহা সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর-রচিত। এই গানের সুর তিনি যাহা জানেন তাহাও শ্রুতিমধুর। সেইজন্য এ গানটি তাঁর কৃত স্বরলিপিসহ এই খণ্ডে পুনঃ প্রকাশিত হল।
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি, দ্বিতীয় খণ্ডের ১৯
পৃষ্ঠায় এই গানের পাদটীকা থেকে জানা যায় যে, এই গানটির সুর গ্রহণ করা হয়েছিল একটি
পুরানো খেয়াল থেকে। কিন্তু বর্তমানে এটি গাওয়া হয়, টপ্পার মতো করে।
স্বরলিপিকার: ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি, প্রথম খণ্ড-এ স্বরলিপির নাম পাওয়া যায় না। এই গ্রন্থমালার দ্বিতীয় খণ্ডের স্বরলিপি করেছিলেন ইন্দিরাদেবী। উভয় গ্রন্থের স্বরলিপিতে বিস্তর পার্থক্য আছে।
সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী
রাগ: কুকুভা।
তাল: আড়াঠেকা
অঙ্গ: খেয়ালাঙ্গ।
পর্যায়: ব্রহ্মসঙ্গীত
লয়: ঈষৎ দ্রুত
গ্রহস্বর: রা [ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি, প্রথম
খণ্ড]
ররগা [ব্রহ্মসঙ্গীত
স্বরলিপি, দ্বিতীয় খণ্ড]