বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) (বড়ুয়া) |
|
নিবন্ধন নম্বর |
০০৩ |
নিবন্ধন তারিখ |
০৩/১১/২০০৮ |
প্রতীক |
চাকা |
প্রতীক নমুনা |
|
সাধারণ সম্পাদক |
দিলীপ বড়ুয়া |
কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ঠিকানা |
২৭/১১/১ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ |
ফোন |
৯৫৬৫৮০০ |
মোবাইল |
০১৭১১-৫৯৪৫২৪ |
উল্লেখ্য, ১৯৬৭-৬৮ খ্রিষ্টাব্দের ভিতরে পূর্ব-পাকিস্তানের
অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টিতে বিভাজন শুরু হয়। ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দের ১-৩ অক্টোবর ১ম কংগ্রেসে মার্কসবাদ, লেনিনবাদ, মাও সেতুং এর চিন্তাধারাকে আদর্শিক ভিত্তি হিসাবে গ্রহন করে কমরেড সুখেন্দু দস্তিদার, কমরেড মোহাম্মদ তোয়াহার নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল) প্রতিষ্ঠিত হয়।
১ম কংগ্রেসে নির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে যাঁরা গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন, তাঁরা
হলেন-
১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে পার্টিকে গোপন রেখে একটি অংশকে প্রকাশ্য কাজের সুযোগ গ্রহণের
ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এই ব্যবস্থামুসারে প্রেক্ষিতে ননী গোপাল দত্ত (অন্য দুটি ছদ্মনাম হচ্ছে অজয় দত্ত ও মোস্তাক),
কিছুকাল পার্টির সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দে দলের চতুর্থ কংগ্রেসে দত্ত ও তার অনুসারীরা যোগদানে বিরত থাকলে দলে ভাঙন দেখা দেয়।
এই সময় নতুনভাবে সাম্যবাদী দল (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) তৈরি হয়।
১৯৯৫ খ্রিষ্টাব্দে সাম্যবাদী দলের ষষ্ঠ জাতীয় কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয় এবং দিলীপ বড়ুয়া দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
এই সময় পুরোনো সাম্যবাদী পিকিংপন্থী দলের অনেক নেতাই পরলোক গমন করেছিলেন করেন।
প্রয়াতদের মধ্যে ছিলেন নগেন সরকার, সুখেন্দু দস্তিদার, দেবেন শিকদার, মোহাম্মদ তোয়াহা, আলী আব্বাস, আবদুল হক প্রমুখ।
ফলে এই দলটি বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) (বড়ুয়া)
নামে পরিচিতি লাভ করে।
উল্লেখ্য, দিলীপ বড়ুয়া আওয়ামী লীগ সরকারের শিল্পমন্ত্রী হিসেবে ২০০৯-১৩
খ্রিষ্টাব্দে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময় ব্যক্তি মালিকানাধীন শিল্প বিকাশের
দায়িত্ব পালন করেন। নগেন সরকার ও ননী গোপাল দত্তের মৃত্যুর পরে দল প্রায়
নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়।