(Egressive sounds)১: বাগ্যন্ত্রজাত ধ্বনি কথিত ভাষার প্রধান উপাদান হবে মানুষের বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে উৎপন্ন ধ্বনি। অর্থাৎ কণ্ঠ, জিহ্বা, তালু, দাঁত, ওষ্ঠ, কণ্ঠনালি প্রভৃতি বাক্প্রত্যঙ্গের সমন্বয়ে উৎপন্ন ধ্বনিই কথিত ভাষার ভিত্তি। ইশারা, স্পর্শ, অঙ্গভঙ্গি বা মুখাবয়বের অভিব্যক্তি যোগাযোগে সহায়ক হলেও সেগুলো কথিত ভাষার উপাদান নয়। ধ্বনির উৎপত্তির দিক থেকে কথিত ভাষার ধ্বনি প্রধানত দুই প্রকার—
১. বহির্গামী ধ্বনি
২.
অর্থবহতা ও সামাজিক স্বীকৃতি
কথিত ভাষার ধ্বনি কেবল উচ্চারিত হলেই ভাষা হয় না; তা অর্থবহ হতে হবে এবং একটি ভাষাসমাজে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহৃত হতে হবে। ভাষা মূলত একটি সামাজিক ব্যবস্থা; তাই তার অর্থ ও ব্যবহার সংশ্লিষ্ট ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত স্বীকৃতির ওপর নির্ভরশীল।
উদাহরণস্বরূপ, "ভাত" একটি শব্দ; এটি নিজে ভাষা নয়। কিন্তু "আমি ভাত খাই"—এই
বাক্যে শব্দগুলো ব্যাকরণসম্মতভাবে সংগঠিত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করে।
এই নিয়মবদ্ধ অর্থপ্রকাশের ক্ষমতাই ভাষার মৌলিক বৈশিষ্ট্য।