বন্দিনী
নাটক

আশুতোষ সন্যালের রচিত এই নাটকটি ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দের ২৫মে নভেম্বর (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩৪৭), কলকাতার মিনার্ভা থিয়েটার মঞ্চে অভিনীত হয়েছিল। নাট্যপারিচালক ছিলেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। স্বত্বাধিকারী ছিলেন দেলওয়ার হোসেন। নাটকটিতে মোট ১৩টি গান ব্যবহার করা হয়েছিল। এর ভিতরে নজরুলে রচিত গান ছিল ১টি। এই গানটি-সহ ১২টি গানের সুরকার ছিলেন নজরুল।

এই নাটকের নিবেদন অংশে নাট্যকার গানগুলো প্রসঙ্গে লিখেছেন-

'সুবিখ্যাত সুর-শিল্পী কবি কাজী নজরুল ইসলাম 'বন্দিনী'র গানগুলিতে অপূর্ব সুর সংযোগ করিবা এবং  কৃষ্ণা চরিত্রে 'কুসুম মালা গেঁথে' গানখানি রচনা করিয়া দিয়া 'বন্দিনী'কে শ্রীমণ্ডিত করিয়াছেন। জনপ্রিয় গায়িকা সুধাকণ্ঠী স্রমতী হরিমতি 'ওগো সব ভুলানি গুম পাড়ানি এস আমার বুকে' গানখানির সুর সংযোগ করিয়া আমাকে মুগ্ধ করিয়াছেন।'

এই নাটকের গানগুলো ছিল-

১, রাবণ রাজা ফুলিয়ে ভূড়ি সীতার দোরে গিয়ে (পার্বত্য রমণীদের গান)
২. বুকের মাঝে একি নাচন নাচিয়ে দিলি (ক্ষাপার গান)
৩. শাওন সুরত কাহে নেহারত (কৃষ্ণার গান)
৪. ওই নদীর বাঁকে দেখে তাকে থুয়ে এলাম প্রাণ (সাঁওতাল রমণীদের গান)
৫. ঘোর আঁধারে প্রলয় নাচন (ক্ষাপার গান)
৬. নাহি ভয় নাহি ভয় নাহি ভয় (ক্ষাপার গান)
৭. আমার কাঁপনলাগা  বুকের মাঝে (ক্ষাপার গান)
৮. পাষাণী হয়েছিস কি মা পাষাণেতে (ক্ষাপার গান)
৯. দাও দাও খুলে দাও হৃদয় দুয়ার (চন্দ্রার সহচরীগণের গান)
১০. ওগো সব ভুলানি ঘুম পাড়ানী (কৃষ্ণার গান
১১. কুসুম ফুলের মালা গেঁথে দুলিয়ে দিলাম গলে (পারব্ত্য নর-নারীদের গান)