২
                  কাফি
ঝাঁপতাল
          তুমি হে ভরসা মম অকূল পাথারে।
আর কেহ নাহি যে বিপদ ভয় বারে, এ আঁধারে যে তারে
        এক তুমি অভয়-পদ জগত-সংসারে,
        কেমনে বল দীন জন ছাড়ে তোমারে
        করিয়ে দুখ অন্ত সুবসন্ত হৃদে জাগে,
        যখনি মন-আঁখি তব জ্যোতি নেহারে;
        জীবন-সখা তুমি, বাঁচি না তোমা বিনা,
        তৃষিত মন প্রাণ মম ডাকে তোমারে

গ্রন্থভুক্তি

১. শতগান, ৯২ সংখ্যক গান, মিশ্র-একতালা। সরলাদেবী [সুবর্ণ সংস্করণ, ১৪১৮ বঙ্গাব্দ, ২০১১ খ্রিষ্টাব্দ] সরলাদেবী-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত। পৃষ্ঠা: ৩০২-৩০৪।
২. ব্রহ্মসঙ্গীত
স্বরলিপি, প্রথম খণ্ড, ১৭তম গান [সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ (পৌষ ১৪১৭ বঙ্গাব্দ)]


প্রাসঙ্গিক বিষয়:

দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমলে ঠাকুর বাড়িতে যে সকল সঙ্গীতগুণীরা আসা যাওয়া করতেন তাঁদের ভিতরে একজন ছিলেন সঙ্গীতগুণী যদুভট্ট। তাঁর রচিত অনেক গানই ঠাকুরবাড়িতে গাওয়া হতো। এরূপ একটি গান ছিল-

                        কাফি-সুরফাঁক্তা [মধ্যগতি]
           
রুম ঝুম বরখে আজু বাদরবা পিয়া বিদেশে মোরি,

            থরথরাত ছতিয়া ন দিশ দিন মন ভাবে

            নৈন ন নীঁদ আবে দামিনী দমক লাগে,

            উন বিন কল ন পরত নাথ নাথ ধাবে

            রহো ন জাত ঘরি পল ছিন তন দহে মোরি,

            আবে মদন মাসন জুঝ সময় পাবে।

            নিকসত নাহি প্রাণ হো রহী চিত পাখান,

            তাপর করত ধ্যান তান বরষ গাবে
                [সূত্র:
রবীন্দ্রসঙ্গীত-গবেষণা-গ্রন্থমালা ৩য় খণ্ড/প্রফুল্লকুমার দাস। পৃষ্ঠা ৩৫।]

               
 [শ্রবণ নমুনা নীহাররঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়]
                
[শ্রবণ নমুনা রবি কিচলু]

এই গানের সুরেই দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গানটি রচনা করেছিলেন। আরও পরে একই সুরে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেছিলেন একটি গান। গানটি হলো
               
তুমি হে ভরসা মম। [গান-২][তথ্য ও শ্রবণ নমুনা]

 

আরও পরে ৪১ বৎসর বয়সে রবীন্দ্রনাথ রচনা করেছিলেন
               
শূন্য হাতে ফিরি, হে  [পূজা--৪০০] [তথ্য]


 

স্বরলিপিকার: কাঙ্গালীচরণ সেন
 

সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী
রাগ: কাফি

তাল: ঝাঁপতাল
অঙ্গ: ধ্রুপদাঙ্গ
পর্যায়: ব্রহ্মসঙ্গীত

লয়: ঈষৎ দ্রুত

গ্রহস্বর: মা