নতুন চাঁদের তক্বির শোন্ কয় ডেকে ঐ মুয়াজ্জিন-
আসমানে ফের ঈদুজ্জোহার চাঁদ উঠেছে মুসলেমিন॥
এলো স্মরণ করিয়ে দিতে ঈদুজ্জোহার এই সে চাঁদ,
তোরা ভোগের পাত্র ফেল্রে ছুঁড়ে ত্যাগের তরে হৃদয় বাঁধ।
কোরবানি দে তোরা, কোরবানি দে॥
প্রাণের যা তোর প্রিয়তম আজকে সে সব আন্,
খোদারই রাহে আজ তাহাদের কর রে কোরবান্।
কি হবে ঐ বনের পশু খোদারে দিয়ে,
তোরা কাম-ক্রোধাদি মনের পশু জবেহ্ কর্ নিয়ে।
কোরবানি দে তোরা, কোরবানি দে॥
বিলিয়ে দেওয়ার খুশির শিরনি তশ্তরিতে আন্,
পর্ রে তোরা সবাই ত্যাগের রঙিন পিরহান্।
মোদের যা কিছু প্রিয় বিলাব সবে
নবীর উম্মত তবে সকলে কবে।
কোরবানি দে তোরা, কোরবানি দে॥
গানের শেষাংশে কবি ত্যাগ ও দানের আনন্দের কথা
বলেছেন। কোরবানির প্রকৃত শিক্ষা হলো নিজের প্রিয় সম্পদ ও সুখ অন্যের মধ্যে বিলিয়ে
দেওয়া এবং মানবকল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করা। নবী হজরত মুহম্মদ (সা.)-এর উম্মত হিসেবে
প্রত্যেক মানুষের উচিত ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও ত্যাগের আদর্শ গ্রহণ করা।