সকলেরে কাছে ডাকি আনন্দ-আলয়ে থাকি
অমৃত করিছ বিতরণ।
পাইয়া অনন্ত প্রাণ জগত গাহিছে গান
গগনে করিয়া বিচরণ।
সূর্য শূন্যপথে ধায়- বিশ্রাম সে নাহি চায়,
সঙ্গে ধায় গ্রহপরিজন।
লভিয়া অসীম বল ছুটিছে লক্ষত্রদল,
চারি দিকে চলেছে কিরণ।
পাইয়া অমৃতধারা নব নব গ্রহ তারা
বিকশিয়া উঠে অনুক্ষণ-
জাগে নব নব প্রাণ, চিরজীবনের গান
পূরিতেছে অনন্ত গগন।
পূর্ণ লোক লোকান্তর, প্রাণে মগ্ন চরাচর
প্রাণের সাগরে সন্তরণ।
জগতে যে দিকে চাই বিনাশ বিরাম নাই,
অহরহ চলে যাত্রিগণ।
মোরা সবে কীটবৎ সম্মুখে অনন্ত পথ
কী করিয়া করিব ভ্রমণ।
অমৃতের কণা তব পাথেয় দিয়েছ, প্রভো,
ক্ষুদ্র প্রাণে অনন্ত জীবন॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: পাওয়া যায়নি।
পাঠভেদ:
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড (মজুমদার প্রেস, ১৩১০)।
কাব্যগ্রন্থাবলী [আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩ ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগ ভৈরব- তাল ঝাঁপতাল। পৃষ্ঠা: ৪৫৪] [নমুনা]
সিটি বুক সোসাইটি, ১৩১৫ বঙ্গাব্দ। ব্রহ্মসঙ্গীত।
ইন্ডিয়ান প্রেস (১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগ ভৈরব- তাল ঝাঁপতাল। পৃষ্ঠা: ৩৭১। [নমুনা: ৩৭১]
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা (সাধারণ ব্রাহ্ম সমাজ যন্ত্র ১২৯২)
অখণ্ড, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, কার্তিক ১৪১২), পর্যায়: পরিশিষ্ট ৩, গান সংখ্যা ৫, পৃষ্ঠা: । [নমুনা]
রবিচ্ছায়া (সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, ১২৯২ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত ২৫। রাগ ভৈরব - তাল ঝাঁপতাল। পৃষ্ঠা: ১২০-১২১। [নমুনা: ১২০, ১২১]
স্বরবিতান পঞ্চচত্বারিংশ খণ্ড (বিশ্বভারতী, চৈত্র ১৪১৩), গান সংখ্যা: ২৬, পৃষ্ঠা ৫৭-৬১।
রেকর্ডসূত্র:
প্রকাশের
কালানুক্রম:
গ. সঙ্গীতবিষয়ক তথ্যাবলি:
স্বরলিপি: [স্বরলিপি] পাণ্ডুলিপি হতে স্বরবিতান পঞ্চচত্বারিংশ খণ্ডে গৃহীত।
স্বরলিপিকার:
সুর ও তাল:
স্বরবিতান পঞ্চচত্বারিংশ খণ্ডে (বিশ্বভারতী, চৈত্র ১৪১৩) গৃহীত গানটির স্বরলিপিতে রাগ-তালের নাম হিসেবে উল্লেখ রয়েছে ভৈঁরো ও ঝাঁপতাল।
রাগ : ভৈরব। তাল : ঝাঁপতাল। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা, সুধীর চন্দ, প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬], পৃষ্ঠা: ৭৯।
রাগ: ভৈরব। তাল: ঝাঁপতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১], পৃষ্ঠা: ১৩৮।
বিষয়াঙ্গ:
সুরাঙ্গ:
গ্রহস্বর: সা।
লয়: ।