সখা, তুমি আছ কোথা-
সারা বরষের পরে জানাতে এসেছি ব্যথা॥
কত মোহ, কত পাপ, কত শোক, কত তাপ,
কত যে সয়েছি আমি তোমারে কব সে কথা॥
যে শুভ্র জীবন তুমি মোরে দিয়েছিলে সখা,
দেখো আজি তাহে কত পড়েছে কলঙ্করেখা।
এনেছি তোমারি কাছে, দাও তাহা দাও মুছে-
নয়নে ঝরিছে বারি, দেখো সভয়ে এসেছি পিতা॥
দেখো দেব, চেয়ে দেখো হৃদয়েতে নাহি বল-
সংসারের বায়ুবেগে করিতেছে টলমল।
লহো সে হৃদয় তিলে, রাখো তব পদমূলে-
সারাটি বরষ যেন নির্ণয়ে রহে গো সেথা॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: পাওয়া যায়নি।
পাঠভেদ:
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
ইন্ডিয়ান প্রেস (১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী টোড়ি। তাল- একতাল। পৃষ্ঠা: ৩৯২ [নমুনা: ৩৯২ ]
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা (সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র ১২৯২)
অখণ্ড, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, কার্তিক ১৪১২), পর্যায়: পরিশিষ্ট ৩, গান সংখ্যা ৬, পৃষ্ঠা: । [নমুনা]
রবিচ্ছায়া (সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, ১২৯২ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত ৩০। রাগিণী টোড়ি - একতালা। পৃষ্ঠা: ১২৫। [নমুনা: ১২৫]
স্বরবিতান পঞ্চচত্বারিংশ খণ্ড (বিশ্বভারতী, চৈত্র ১৪১৩), গান সংখ্যা: ২৭, পৃষ্ঠা ৬২-৬৪।
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী (জ্যৈষ্ঠ ১২৯০), কলকাতায় আদি ব্রাহ্মসমাজ মন্দিরে 'নববর্ষ' -এ গীত হয়, ২৮, রাগিনী টোড়ি-তাল একতালা।
রেকর্ডসূত্র:
প্রকাশের
কালানুক্রম: কলকাতায়
আদি ব্রাহ্মসমাজ মন্দিরে 'নববর্ষ' -এ গীত হয়।
গ. সঙ্গীতবিষয়ক তথ্যাবলি:
স্বরলিপি: [স্বরলিপি]। পাণ্ডুলিপি হতে স্বরবিতান পঞ্চচত্বারিংশ খণ্ডে গৃহীত।
স্বরলিপিকার:
সুর ও তাল:
স্বরবিতান পঞ্চচত্বারিংশ খণ্ডে (বিশ্বভারতী, চৈত্র ১৪১৩) গৃহীত গানটির স্বরলিপিতে রাগ-তালের নাম হিসেবে উল্লেখ রয়েছে ভৈরবী ও একতাল।
রাগ : ভৈরবী। তাল : একতাল। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা, সুধীর চন্দ, প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬], পৃষ্ঠা: ৮০।
রাগ: ভৈরবী। তাল: একতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১], পৃষ্ঠা: ১৩৮।
বিষয়াঙ্গ:
সুরাঙ্গ:
গ্রহস্বর: ণদা।
লয়: দ্রুত।