বিষয়:
রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
আমি হৃদয়ের কথা বলিতে
ব্যাকুল, শুধাইল না কেহ।
পাঠ ও পাঠভেদ:
আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল, শুধাইল না কেহ।
সে তো এল না যারে সঁপিলাম এই প্রাণ মন দেহ॥
সে কি মোর তরে পথ চাহে, সে কি বিরহগীত গাহে
যার বাঁশরিধ্বনি শুনিয়ে আমি ত্যজিলাম গেহ॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: পাওয়া যায়নি।
পাঠভেদ:
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান: ১২৯৪ খ্রিষ্টাব্দে দার্জিলিং-এ থাকার সময় রবীন্দ্রনাথ মায়ারখেলা রচনায় হাত দেন। বেঙ্গল লাইব্রেরির তালিকা অনুসারে এই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ২২ ডিসেম্বর ১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দ [৮ পৌষ ১২৯৫ বঙ্গাব্দ]। এই বিচারে মায়ার খেলার প্রথম সংস্করণের গানগুলো ২৬-২৭ বৎসর বয়সের রচনা বলে অনুমান করা যায়।
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপিকার: ইন্দিরাদেবী চৌধুরানী।
সুর ও তাল:
স্বরবিতান অষ্টচত্বারিংশ খণ্ডে (সংস্করণ বৈশাখ ১৩৭৭) গৃহীত গানটির স্বরলিপিতে রাগ-তালের উল্লেখ নেই। উক্ত স্বরলিপিটি ৩।৩।৩।৩ মাত্রা ছন্দে 'একতাল'-এ নিবদ্ধ।
রাগ : কুকুভ। [রবীন্দ্রসঙ্গীতে রাগ-নির্ণয়। ভি.ভি. ওয়াঝলওয়ার। রবীন্দ্রনাথের প্রেমের গান। সংগীত-শিক্ষায়তন। বৈশাখ ১৩৯০। পৃষ্ঠা : ৭০]
রাগ: খাম্বাজ। অঙ্গ: কীর্তন তাল: একতাল। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬। পৃষ্ঠা: ৩৩]
রাগ: কীর্তন। তাল: একতাল [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ৬২]
গ্রহস্বর-গা।
লয়-মধ্য।