বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
প্রভু,
এলেম কোথায়।
পাঠ ও পাঠভেদ:
১৩
প্রভু, এলেম কোথায়।
কখন বরষ গেল, জীবন বহে হায়।
কখন কী-যে হল জানি নে হায়।
আসিলাম কোথা হতে, যেতেছি কোন্ পথে
ভাসিয়ে কালস্রোতে তৃণের প্রায়।
মরণসাগর-পানে চলেছি প্রতিক্ষণ,
তবুও দিবানিশি মোহেতে অচেতন।
এ জীবন অবহেলে আঁধারে দিনু ফেলে-
কত-কী গেল চলে, কত-কী যায়।
শোকে তাপে জরজর অসহ যাতনায়
শুকায়ে গেছে প্রেম, হৃদয় মরুপ্রায়।
কাঁদিয়ে হলেম সারা, হয়েছি দিশাহারা-
কোথা গো ধ্রুবতারা কোথা গো হায়।
পাণ্ডুলিপির পাঠ: রবীন্দ্রনাথের পাণ্ডুলিপি নাই।
পাঠভেদ:
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
১২৯০ বঙ্গাব্দের ১ বৈশাখ চৈত্র [শুক্রবার 13 April]
নববর্ষ উদ্যাপিত হয়। এই উৎসবে দুটি গান পরিবেশিত হয়েছিল। এই গান দুটির
যথাযথ রচনাকাল সম্পর্কে কিছু জানা যায় নাই। ধারণা করা যায়- রবীন্দ্রনাথ এই
দুটি গান এই বৎসরেই
রচনা করেছিলেন। গান দুটি হলো-
সখা, তুমি আছ কোথা [পরিশিষ্ট-৩]
[তথ্য]
প্রভু
এলেম কোথায়
গানটি রবীন্দ্রনাথের ২০ বৎসর
বয়সের রচনা।
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
ইন্ডিয়ান প্রেস (১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী আলাইয়া। তাল- আড়াঠেকা। পৃষ্ঠা: ৩৯১ [নমুনা: ৩৯১ ]
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা (সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র ১২৯২)
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। 'পূজা ও প্রার্থনা' পর্যায়ের ১৩ সংখ্যক গান ।
বাঙালীর গান (১৯০৫)।
রবিচ্ছায়া (সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, ১২৯২ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত ৩১। রাগিণী আলাইয়া - তাল আড়াঠেকা। পৃষ্ঠা: ১২৫-১২৬। [নমুনা: ১২৫, ১২৬]
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা (জ্যৈষ্ঠ ১৮০৫ শকাব্দ, ১২৯০ বঙ্গাব্দ)। রাগিণী আলাইয়া- তাল আড়াঠেকা।
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী: স্বরলিপি নেই
স্বরলিপিকার:
সুর ও তাল:
রাগ: আলাহয়া। তাল: আড়াঠেকা [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমী, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ১১৩ ]