বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
তোমারেই প্রাণের আশা কহিব!
পাঠ ও পাঠভেদ:
তোমারেই প্রাণের আশা কহিব!
সুখে-দুখে-শোকে আঁধারে-আলোকে চরণে চাহিয়া রহিব॥
কেন এ সংসারে পাঠালে আমারে তুমিই জান তা প্রভু গো।
তোমারি আদেশে রহিব এ দেশে, সুখ দুখ যাহা দিবে সহিব॥
যদি বনে কভু পথ হারাই, প্রভু, তোমারি নাম লয়ে ডাকিব।
বড়োই প্রাণ যবে আকুল হইবে চরণ হৃদয়ে লইব॥
তোমারি জগতে প্রেম বিলাইব, তোমারি কার্য যা সাধিব-
শেষ হয়ে গেলে ডেকে নিয়ো কোলে। বিরাম আর কোথা পাইব॥
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ
অষ্টমখণ্ড (মজুমদার
লাইব্রেরি, ১৩১০)
কাব্যগ্রন্থাবলী
[আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩
ব্রহ্মসঙ্গীত।
ভজন- তাল ছেপকা। পৃষ্ঠা:
৪৫১]
[নমুনা
প্রথমাংশ
শেষাংশ]
প্রথম সংস্করণ
[সিটি বুক সোসাইটি,
১৩১৫ বঙ্গাব্দ।
ভজন, তাল
ছেপকা। পৃষ্ঠা ২৬৬-২৬৭][নমুনা
প্রথমাংশ
শেষাংশ]
দ্বিতীয় সংস্করণ
[ইন্ডিয়ান
প্রেস ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬
বঙ্গাব্দ। ভজন,
তাল ছেপকা। পৃষ্ঠা: ২৮৫। [নমুনা]
গীতবিতান
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ
(বিশ্বভারতী ১৩৮০)।পূজা
ও প্রার্থনা ১৬।
রবিচ্ছায়া
(সাধারণ
ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, ১২৯২ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত ২৬।
ভজন - তাল
ছেপকা।
পৃষ্ঠা: ১২১-১২২। [নমুনা:
১২১,
১২২]
স্বরবিতান পঞ্চচত্বারিংশ (৪৫) খণ্ডের ১৮ সংখ্যক গান।
পৃষ্ঠা ৪২-৪৪।
[নমুনা]
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন ১২৯০)। ভজন-তাল ছেপকা। পৃষ্ঠা: ২০৯ [নমুনা]
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপিকার:
রাগ- আশাবরী-ভৈরবী। তাল-কাহারবা। [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬], পৃষ্ঠা: ৫৭ ।
রাগ-ভজন। তাল-কাহারবা। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, জুলাই ২০০১, পৃষ্ঠা: ১০০।