বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
পিতার
দুয়ারে দাঁড়াইয়া সবে ভুলে যাও অভিমান।
পাঠ ও পাঠভেদ:
পিতার দুয়ারে দাঁড়াইয়া সবে ভুলে যাও অভিমান।
এসো, ভাই, এসো প্রাণে প্রাণে আজি রেখো না রে ব্যবধান॥
সংসারের ধুলা ধুয়ে ফেলে এসো, মুখে লয়ে এসো হাসি।
হৃদয়ের থালে লয়ে এসো, ভাই প্রেমফুল রাশি রাশি॥
নীরস হৃদয়ে আপনা লইয়ে রহিলে তাঁহারে ভুলে-
অনাথ জনের মুখপানে, আহা, চাহিলে না মুখ তুলে!
কঠোর আঘাতে ব্যথা পেলে কত, ব্যথিলে পরের প্রাণ-
তুচ্ছ কথা নিয়ে বিবাদে মাতিয়ে দিবা হল অবসান॥
তাঁর কাছে এসে তবুও কি আজি আপনারে ভুলিবে না।
হৃদয়মাঝারে ডেকে নিতে তাঁরে হৃদয় কি খুলিবে না।
লইব বাঁটিয়া সকলে মিলিয়া প্রেমের অমৃত তাঁরি-
পিতার অসীম ধনরতনের সকলেই অধিকারী॥
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ অষ্টমখণ্ড (মজুমদার লাইব্রেরি, ১৩১০)
কাব্যগ্রন্থাবলী [আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩ ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী বাহার, তাল একতালা। পৃষ্ঠা: ৪৫৩][নমুনা]
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা (আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রতিভা, ১৩০০)
গীতবিতান
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। পূজা ও প্রার্থনা ৩২।
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি ৪র্থ ভাগ (বৈশাখ ১৩১৫ বঙ্গাব্দ)। বাহার-একতালা। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
রবিচ্ছায়া (সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, ১২৯২)। ব্রহ্মসঙ্গীত ৭২। রাগিণী বাহার-তাল একতালা। পৃষ্ঠা: ১৫৪-১৫৫। [নমুনা: ১৫৪, ১৫৫]
স্বরবিতান চতুর্বিংশ (২৪) খণ্ডের ১৭ গান। পৃষ্ঠা : ৪৬-৪৮।
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন ১২৯১)।
রাগ: বাহার। তাল: একতাল। [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। (প্যাপিরাস, ডিসেম্বর, ২০০৬)। পৃষ্ঠা: ৬৪]
অঙ্গ: বাহার। তাল: একতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমী, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ১১২ ]