বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
দুখের কথা তোমায় বলিব না, দুখ ভুলেছি ও করপরশে।
পাঠ ও পাঠভেদ:
দুখের কথা তোমায়
বলিব না, দুখ ভুলেছি ও করপরশে।
যা-কিছু দিয়েছ তাই পেয়ে, নাথ, সুখে আছি, আছি হরষে॥
আনন্দ-আলয় এ মধুর ভব, হেথা আমি আছি এ কী স্নেহ তব–
তোমার চন্দ্রমা তোমার তপন মধুর কিরণ বরষে॥
কত নব হাসি ফুটে ফুলবনে প্রতিদিন নবপ্রভাতে।
প্রতিনিশি কত গ্রহ কত তারা তোমার নীরব সভাতে।
জননীর স্নেহ সুহৃদের প্রীতি শত ধারে সুধা ঢালে নিতি নিতি,
জগতের প্রেমমধুরমাধুরী ডুবায় অমৃতসরসে॥
ক্ষুদ্র মোরা তবু না জানি মরণ, দিয়েছ তোমার অভয় শরণ,
শোক তাপ সব হয় হে হরণ তোমার চরণদরশে।
প্রতিদিন যেন বাড়ে ভালোবাসা, প্রতিদিন মিটে প্রাণের পিপাসা–
পাই নব প্রাণ– জাগে নব আশা নব নব নব-বরষে॥
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
২. দুখের কথা তোমায় বলিব না
৩. গাও বীণা-বীণা, গাও রে [পূজা-৪৫৮] [তথ্য]
এই সূত্রে ধারণা করা হয়, গানটি
রবীন্দ্রনাথের ২৩ বৎসর বয়সের রচনা।
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ অষ্টমখণ্ড (মজুমদার লাইব্রেরি, ১৩১০)
কাব্যগ্রন্থ ১০ম খণ্ড (ইন্ডিয়ান প্রেস ১৩২৩)
কাব্যগ্রন্থাবলী [আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী গৌর সারঙ্গ-তাল একতালা। পৃষ্ঠা: ৪৬০][নমুনা]
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা (আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রতিভা, ১৩০০)
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮। কাব্য-গ্রন্থাবলী (১৩০৩ বঙ্গাব্দ)-এর ব্রহ্মসঙ্গীত অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ১৫৬-১৫৭] [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। পূজা ও প্রার্থনা ৩৫।
ধর্ম্মসঙ্গীত (ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, ১৩২১)। গান।
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি প্রথম ভাগ (১ মাঘ ১৩১১ বঙ্গাব্দ)। গৌরসারং-একতালা। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
রবিচ্ছায়া (সাধারণ ব্রহ্মসমাজ যন্ত্র, ১২৯২)। পরিশিষ্ট ২। গৌড় সারং-তাল একতাল। পৃষ্ঠা: ১৬৮-১৬৯। [নমুনা: ১৬৮, ১৬৯]
স্বরবিতান চতুর্থ (৪) খণ্ডের (মাঘ ১৪১২) ৩৩ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা ৭৯-৮১।
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী (বৈশাখ ১২৯২)। গৌর সারং-একতালা। পৃষ্ঠা: ১৮। [নমুনা]
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপিকার:
কাঙ্গালীচরণ সেন।
[কাঙ্গালীচরণ
সেন-কৃত স্বরলিপির তালিকা]
সুর ও তাল:
রাগ-গৌরসারং। তাল-একতাল। [স্বরবিতান চতুর্থ (৪) খণ্ডের (মাঘ ১৪১২)]
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত।
সুরাঙ্গ: খেয়ালাঙ্গ
গ্রহস্বর: সা।
লয়: মধ্য