বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
এবার তোর মরা গাঙে
বান এসেছে
পাঠ ও পাঠভেদ:
এবার তোর মরা গাঙে বান এসেছে, ‘জয় মা’ ব’লে ভাসা তরী॥
ওরে রে ওরে মাঝি, কোথায় মাঝি, প্রাণপণে, ভাই, ডাক দে আজি—
তোরা সবাই মিলে বৈঠা নে রে, খুলে ফেল সব দড়াদড়ি॥
দিনে দিনে বাড়ল দেনা, ও ভাই, করলি নে কেউ বেচা কেনা—
হাতে নাই রে কড়া কড়ি॥
ঘাটে বাঁধা দিন গেল রে, মুখ দেখাবি কেমন করে—
ওরে দে খুলে দে, পাল তুলে দে , যা হয় হবে বাঁচি মরি॥
গীতবিতান
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৩৮)
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৩৮)
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। স্বদেশ পর্যায়ের ৫ সংখ্যক গান।
বাউল (মজুমদার লাইব্রেরি ১৩১২ বঙ্গাব্দ)। শিরোনাম: বান। সারি গানের সুর। পৃষ্ঠা: ১৭। [নমুনা: ১৭]
মন-মাঝি সামাল সামাল ডুবল তরী
ভবনদীর তুফান ভারি।
তোর হেলে পেলে না জল, কি করবি বল
কেমন জমাবি পারি
তোর হেলে ছয়খান দড়ি যাচ্ছে ছিঁড়ি
ঐ দেখ পটাস পটাস করি,
ডুবল তোর ভগ্নতরী, হায় কি করি
কেমন জমাবি পারি
মাঝি তরঙ্গ হোরি সইতে নারি
তাই তোরে জজ্ঞাসা করি,
বল্ দেখি কোন মিস্তিরী শিখায় তোরে
আজগুবি এ মাঝিগিরি।
শতগান
রবীন্দ্রসংগীত গবেষণা-গ্রন্থমালা ৩য় খণ্ড/শ্রীপ্রফুল্লকুমার দাস। পৃষ্ঠা ৯৮।
- স্বরলিপি: নমুনা [সূত্র: স্বরবিতান ষট্চত্বারিংশ ( ৪৬) খণ্ডের (মাঘ ১৪১৫)
- স্বরলিপিকার: ইন্দিরাদেবী।
- সুর ও তাল:
- স্বরবিতান ষট্চত্বারিংশ ( ৪৬) খণ্ডের (মাঘ ১৪১৫) -এ গৃহীত গানটির স্বরলিপিতে রাগ-তালের উল্লেখ নেই। সারি গানের সুরে ৪।৪ ছন্দে কাহারবা তালে নিবদ্ধ।
- অঙ্গ: সারি গান। তাল: কাহারবা। [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা । সুধীর চন্দ। (প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬)। পৃষ্ঠা: ৩৮]।
- অঙ্গ: সারি গান। তাল: কাহারবা [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমী, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ৭০]