লখনৌতি, লক্ষ্মণাবতী
লক্ষ্মণাবতী নগরীর প্রাচীন নাম।
সেন
রাজবংশের দ্বিতীয় রাজা
বল্লালসেন
(১১৬০-১১৭৯ খ্রিষ্টাব্দ) তাঁর পুত্র রাজা লক্ষ্মণসেনের রাজধানীর নাম ছিল-
লক্ষ্মণাবতী।
রাজমহলের প্রায় ২৫ মাইল দক্ষিণে গঙ্গার পশ্চিম তীরে গঙ্গা-মহানন্দার মিলনস্থলের নিকটবর্তী স্থানে বর্তমান পশ্চিম বঙ্গের মালদা জেলায় এর অবস্থান। ১২০৫ খ্রিস্টাব্দে (৬০১ হিজরি) বখতিয়ার খলজী (মৃত্যু ১২০৬ খ্রি) নদীয়া জয় করার পর পরই লক্ষ্মণাবতীতে আসেন এবং এখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করে মসজিদ, মাদ্রাসা, খানকাহ প্রভৃতি প্রতিষ্ঠা করেন। ইওজ খলজী (১২১২-১২২৭ খ্রি) পরবর্তীকালে গঙ্গার বন্যার কবল থেকে শহর রক্ষার জন্য বাঁধ নির্মাণ করেন এবং রাস্তা তৈরি করে দিনাজপুরের দেবকোট ও বীরভূমের লখনৌর-এর সাথে রাজধানী লখনৌতির সংযোগ স্থাপন করেন। তেরো শতকের প্রথম দিকে তবকাত-ই-নাসিরী গ্রন্থের লেখক মিনহাজ-ই-সিরাজ এসব নির্মাণকাজ প্রত্যক্ষ করেছেন বলে জানা যায়।
সূত্র :
বাংলাদেশের
ইতিহাস/রমেশচন্দ্র মজুমদার।
ভারতের ইতিহাস । অতুলচন্দ্র রায়, প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়।