মূলত উনবিংশ শতাব্দীতে ভাষার আঞ্চলিক ও সামাজিক বৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণা শুরু হয়। উপভাষাবিজ্ঞান সমাজভাষাবিজ্ঞানের ভিত্তি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ১৯৬০-এর দশকে
William Labov ভাষার সামাজিক বৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে আধুনিক সমাজভাষাবিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেন। একই সময়ে Dell Hymes ভাষার সামাজিক ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে Ethnography of Communication ধারণা প্রবর্তন করেন। পরবর্তীকালে Joshua A. Fishman, Basil Bernstein, Peter Trudgill প্রমুখ ভাষাবিদ এই শাস্ত্রকে সমৃদ্ধ করেন। বর্তমানে সমাজভাষাবিজ্ঞান ভাষানীতি, ভাষা-পরিকল্পনা, ভাষা সংরক্ষণ, ভাষা-অধিকার, বহুভাষিকতা এবং ডিজিটাল যোগাযোগের ভাষা বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।