ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৮৬৯-১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দ
আদি ব্রাহ্মসমাজের কর্মী, সংস্কৃত পণ্ডিত এবং বিশিষ্ট লেখক, সঙ্গীতশিল্পী, সুরকার।
১৮৬৯ খ্রি ষ্টাব্দের ২৪শে সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ ভারতের অধুনা কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে
জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর পিতাছিলেন পিতা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেজোদাদা
হেমেন্দ্রনাথ ঠাকুর। মায়ের নাম নীপময়ী দেবী।
তিনি সংস্কৃত কলেজে এবং প্রেসিডেন্সি কলেজে
শিক্ষালাভ করেন। সংস্কৃত ভাষায় বিশেষ ব্যুৎপত্তির জন্য তিনি তত্ত্বনিধি উপাধি লাভ করেন। তিনি আদি ব্রাহ্মসমাজের কর্মী এবং ব্রাহ্মসমাজের চিৎপুরস্থ মন্দিরের অন্যতম অছি ছিলেন।
১৯১৫ খ্রি ষ্টাব্দ থেকে টানা আট বৎসর তিনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদনা করেন। ব্রাহ্মসমাজের কাজকর্ম, লেখালেখি ছাড়াও সঙ্গীতচর্চা করতেন তিনি। হবিঃ শীর্ষক গ্রন্থে তাঁর সঙ্গীতচর্চার নিদর্শন পাওয়া যায়।
তিনি বেদমন্দ্র ' ওঁ পিতা নোহসি পিতা নো বোধি ' [তথ্য]
সুরারোপ করেছিলেন।
১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ অক্টোবর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হল:
- কাব্যগ্রন্থ
- আঁখিজল (১৯১৯), স্বস্তিকা (১৯২০)
- ধর্মবিষয়ক
- অধ্যাত্মধর্ম ও অজ্ঞেয়বাদ
ব্রাহ্মধর্মের বিবৃতি (১৯১০), ব্রাহ্মধর্মের প্রকৃতি (১৯২৪), জ্ঞান ও ধর্মের উন্নতি (১৮৯৩), শ্রীভগবৎ কথা, মায়ে পোয়ে,
ওঁ পিতা নোহসি (১৯১৪)
- অন্যান্য
- আলাপ (১৯১০), প্রাণের কথা, রাজা হরিশ্চন্দ্র,
আদিশূর ও ভট্টনারায়ণ,
আর্যরমণীর শিক্ষা ও স্বাধীনতা, কলকাতার চলাফেরা সেকালে আর একালে
তথ্যসূত্র :
- রবিজীবনী (প্রথম খণ্ড)। প্রশান্তকুমার পাল
- ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি,
প্রথম
খণ্ড, প্রথম গান। [সাধারণ
ব্রাহ্মসমাজ (পৌষ
১৪১৭বঙ্গাব্দ)] পৃষ্ঠা: ১-৩। [