জ্বালো দেয়ালি জ্বালো
অসীম তিমিরে শ্যামা মা যে অযুত কোটি আলো॥
এলো শক্তি অশিব নাশিনী
এলো অভয়া চির বিজয়িনী
কালো রূপের স্নিগ্ধ লাবনি নয়ন মন জুড়ালো॥
গ্রহ তারার দেওয়ালি জলিছে পবনে
জ্বালো দীপালি জীবনের সব ভবনে।
এলো শিবানী প্রাণ দিতে সবে
নাশিতে লোভী পাপ দানবে
রক্ষা করিতে পীড়িত মানবে ধরারে বাসিতে ভালো॥
তাই কবি সবাইকে দীপ জ্বালানোর আহ্বান করা হয়েছে। কারণ অসীম অন্ধকারে শ্যামা তাঁর অসংখ্য আলোর উৎস হয়ে আবির্ভূত হয়েছেন। তাঁর আগমনে চারদিকে আলো ছড়িয়ে পড়েছে।
তিনি শক্তিরূপা, অশুভ শক্তির বিনাশিনী এবং ভক্তদের অভয়দাত্রী চিরবিজয়িনী দেবী। তাঁর গাঢ় কালো রূপের মধ্যেও এক অপূর্ব স্নিগ্ধ সৌন্দর্য আছে, যা মানুষের মন ও চোখকে তৃপ্ত করে।
এই আনন্দময় মুহূর্তে যেন সারা বিশ্বে আলোর উৎসব শুরু হয়। আকাশের গ্রহ-নক্ষত্রগুলোও যেন দীপাবলির মতো জ্বলতে থাকে। তাই কবি মানুষের জীবনের প্রতিটি ঘর ও অন্তরেও দীপ জ্বালিয়ে, অন্ধকার দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন।
দেয়ালিতে দেবী শিবানী (শিবের শক্তিরূপা)
মানুষের মধ্যে নতুন প্রাণসঞ্চার করার জন্য আসেন। কবি মনে করেন, পৃথিবীকে
ভালোবাসা ও কল্যাণের জন্য তিনি লোভী ও পাপী দানবদের বিনাশ করবেন এবং
দুঃখে-পীড়িত মানুষকে রক্ষা করবেন।