বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
যাহা
পাও তাই লও,
হাসিমুখে ফিরে যাও।
পাঠ ও পাঠভেদ:
যাহা পাও তাই লও, হাসিমুখে ফিরে যাও।
কারে চাও, কেন চাও― আশা কে পূরাতে পারে॥
সবে চায়, কেবা পায় সংসার চ’লে যায়―
যে বা হাসে, যে বা কাঁদে, যে বা প’ড়ে থাকে দ্বারে॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ:
পাঠভেদ:
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান: ১৩০০ বঙ্গাব্দের দিকে এই গানটি রচিত বলে ধারণা করা হয়। এর ভিত্তিতে ধারণা করা যায় গানটি রবীন্দ্রনাথের ৩১ বৎসর বয়সের রচনা হয়। [সূত্র : গীতবিতান কালানুক্রমিক সূচী। প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়]
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ
কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড। বিবিধ। ইমন-কল্যাণ। ঝাঁপতাল। (মজুমদার লাইব্রেরি, ১৩১০ বঙ্গাব্দ)। পৃষ্ঠা: ৪৪ [নমুনা: ৪৪]
কাব্যগ্রন্থাবলী [আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩। গান। ইমন কল্যাণ-ঝাঁপতাল। পৃষ্ঠা: ৪৩৩] [নমুনা]
গানের বহি ও বাল্মীকি-প্রতিভা (১৩০০ বঙ্গাব্দ)।
গীতবিতান
অখণ্ড, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, ১৩৮০) পর্যায়: বিচিত্র -১৩৭। পৃষ্ঠা: । [নমুনা: ]
বাঙালির গান (পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি, এপ্রিল ২০০১), ১৮০ সংখ্যক গান, মিশ্র মল্লার-একতাল, পৃষ্ঠা ৬৫৬।
রবীন্দ্র গ্রন্থাবলী হিতবাদী (১৩১১ বঙ্গাব্দ)।
স্বরবিতান দ্বাত্রিংশ (৩২) খণ্ডের (বিশ্বভারতী,অগ্রহায়ণ ১৪১২) ২৩ সংখ্যক গান, ইমনকল্যাণ-তেওরা, পৃষ্ঠা ৪৯।
রেকর্ডসূত্র: নাই।
প্রকাশের কালানুক্রম:
স্বরলিপিকার:
ইন্দিরাদেবী চৌধুরানী।
পাণ্ডুলিপি হতে সংগৃহিত।
[
ইন্দিরাদেবী চৌধুরানী-কৃত
রবীন্দ্রসঙ্গীতের তালিকা]
সুর ও তাল:
স্বরবিতান দ্বাত্রিংশ (৩২) খণ্ডের (বিশ্বভারতী,অগ্রহায়ণ ১৪১২) গৃহীত গানটির স্বরলিপিতে রাগ-তালের উল্লেখ দেয়া আছে যথাক্রমে ইমনকল্যাণ ও তেওরা।
রাগ : ইমন কল্যাণ। তাল: তেওরা। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা, সুধীর চন্দ, প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬], পৃষ্ঠা ৭৫।
রাগ : ইমন কল্যাণ। তাল: তেওরা। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১], পৃষ্ঠা ১৩১।
বিষয়াঙ্গ:
সুরাঙ্গ:
গ্রহস্বর: পা।
লয়: মধ্য।