সখী আমারি দুয়ারে কেন আসিল
নিশিডোরে যোগী ভিখারি।
কেন করুণস্বরে বীণা বাজিল॥
আমি আসি যাই যতবার চোখে পড়ে মুখ তার,
তারে ডাকিব কি ফিরাইব তাই ভাবি লো॥
শ্রাবণে আঁধার দিশি শরতে বিমল নিশি,
বসন্তে দখিন বায়ু, বিকশিত উপবন-
কত ভাবে কত গীতি গাহিতেছে নিতি নিতি
মন নাহি লাগে কাজে, আঁখিজলে ভাসি লো॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: পাওয়া যায়নি।
পাঠভেদ:
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড। বিবিধ। কেদারা-কাওয়ালি। (মজুমদার লাইব্রেরি, ১৩১০ বঙ্গাব্দ)। পৃষ্ঠা: ৪১ [নমুনা]
কাব্যগ্রন্থ, দশম খণ্ড, (ইন্ডিয়ান প্রেস ১৩২৩ বঙ্গাব্দ), বিবিধ সঙ্গীত। পৃষ্ঠা: ১০৪-১০৫। [নমুনা: প্রথমাংশ. শেষাংশ]
কাব্যগ্রন্থাবলী [আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩। গান। কেদারা-কাওয়ালি। পৃষ্ঠা: ৪৩৩-৪৩৪] [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
গানের বহি ও বাল্মীকি-প্রতিভা (১৩০০ বঙ্গাব্দ)।
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮। কাব্যগ্রন্থাবলী (১৩০৩ বঙ্গাব্দ) 'গান' অংশ থেকে গৃহীত হয়েছে । পৃষ্ঠা: ১১৪] [নমুনা]
অখণ্ড, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, কার্তিক ১৪১২), পর্যায়: প্রেম ১৫০, উপবিভাগ: প্রেম বৈচিত্র্য-১২৩, পৃষ্ঠা: । [নমুনা]
সাধনা (ফাল্গুন ১৩০০)
স্বরলিপি-গীতিমালা (১৩০৪ বঙ্গাব্দ)।
স্বরবিতান পঞ্চাশত্তম (৫০, শেফালি) খণ্ড (বিশ্বভারতী, চৈত্র ১৪১৩), গান সংখ্যা: ২৬, পৃষ্ঠা ৮৫-৮৭।
রেকর্ডসূত্র:
প্রকাশের
কালানুক্রম: ১৩০০
বঙ্গাব্দের ৮ বৈশাখ [বৃহস্পতিবার ২০ এপ্রিল ১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দে] তারিখে
প্রকাশিত হয় গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা' নামক গ্রন্থ। এই
গ্রন্থে পুরাতন গানের সাথে কিছু নতুন স্থান পেয়েছিল। এই গানগুলোর
রচনাকাল সম্পর্কে কিছু জানা যায় না। এই তালিকায় এই গানটিও রয়েছে। এই
গ্রন্থটি প্রকাশের সময় রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৩১ বৎসর ১২ মাস।
গ. সঙ্গীতবিষয়ক তথ্যাবলি:
স্বরলিপি: [স্বরলিপি]
স্বরলিপিকার:
মূল স্বরলিপি: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর
সুরান্তর:
জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর।
সুর ও তাল:
স্বরবিতান পঞ্চাশত্তম খণ্ডে (চৈত্র ১৪১৩ বঙ্গাব্দ) গৃহীত স্বরলিপিতে রাগ-তালের উল্লেখ নেই। উক্ত স্বরলিপিটি ৪।৪ ছন্দে কাহারবা তালে নিবদ্ধ।
রাগ: হাম্বীর-কেদারা। তাল: কাওয়ালি। [জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর-কৃতস্বরলিপি-গীতিমালা (১৩০৪ বঙ্গাব্দ)। ]
রাগ : হাম্বীর। [রবীন্দ্রসঙ্গীতে রাগ-নির্ণয়। ভি.ভি. ওয়াঝলওয়ার। রবীন্দ্রনাথের প্রেমের গান ।সংগীত-শিক্ষায়তন। বৈশাখ ১৩৯০। পৃষ্ঠা : ৭৬]
রাগ : কেদারা-হাম্বীর। তাল : কাহারবা। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা, সুধীর চন্দ, প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬], পৃষ্ঠা: ৮০।
রাগ: হাম্বীর। তাল : কাহারবা। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১], পৃষ্ঠা: ১৩৮।
বিষয়াঙ্গ:
সুরাঙ্গ:
গ্রহস্বর: ধা।
লয়: মধ্য।