বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
বিদায় করেছ যারে নয়নজলে
পাঠ ও পাঠভেদ:
বিদায় করেছ যারে নয়নজলে,
এখন ফিরাবে তারে কিসের ছলে গো॥
আজি মধু সমীরণে নিশীথে কুসুমবনে
তারে কি পড়েছে মনে বকুলতলে॥
সে দিনও তো মধুনিশি প্রাণে গিয়েছিল মিশি,
মুকুলিত দশ দিশি কুসুমদলে।
দুটি সোহাগের বাণী যদি হত কানাকানি,
যদি ওই মালাখানি পরাতে গলে।
এখন ফিরাবে তারে কিসের ছলে গো
মধুরাতি পূর্ণিমার ফিরে আসে বার বার,
সে জন ফিরে না আর যে গেছে চলে
ছিল তিথি অনুকূল, শুধু নিমেষের ভুল―
চিরদিন তৃষাকুল পরান জ্বলে।
এখন ফিরাবে তারে কিসের ছলে গো॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: পাওয়া যায়নি।
পাঠভেদ:
বিদায় করেছ যারে
নয়নজলে
তারে কি পড়েছে মনে...
:
মায়ার খেলা (অগ্রহায়ণ
১২৯৫)
মধুরাতি পূর্ণিমার
গীতবিতান (আশ্বিন ১৩৩৮)
তাহারে পড়েছে মনে...
মধুরাতি পূর্ণিমার
:
কড়ি ও
কোমল (১২৯৩)
গানের বহি ও বাল্মীকি-প্রতিভা (১৩০০)
'এখন ফিরাবে তারে' স্থলে
এখন ফিরাবে তারে
(অন্তরার শেষে)
:
মায়ার খেলা (অগ্রহায়ণ
১২৯৫)
গীতবিতান (আশ্বিন ১৩৩৮)
(প্রথম আভোগের শেষে) :
কড়ি ও
কোমল (১২৯৩)
গানের বহি ও বাল্মীকি-প্রতিভা (১৩০০)
এটি একটি ভাঙা গান। ইন্দিরাদেবী তাঁর রবীন্দ্রসঙ্গীতের ত্রিবেণী সংগম গ্রন্থে এই গানটির মূল গান হিসেবে উল্লেখ করেছেন 'বাজে ঝননন মোরে পায়লিয়া [কানাড়া। ঝাঁপতাল]।
মূল গানটিকে তিনভাগে বিভক্ত করে মায়াকুমারীগণের সংলাপ আকারে 'মায়ার খেলা' গীতিনাট্যে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। (রবীন্দ্র রচনাবলী, প্রথম খণ্ড, বিশ্বভারতী, জ্যৈষ্ঠ ১৩৯৬ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ২৫০-২৫২)।
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান: ১২৯৩ বঙ্গাব্দে এই গানটি রচিত হয়। এই বিচারে গানটি রবীন্দ্রনাথের ২৫ বৎসর বয়সের রচনা।