বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
মধুর বসন্ত এসেছে মধুর মিলন
ঘটাতে
পাঠ ও পাঠভেদ:
মধুর বসন্ত এসেছে মধুর মিলন ঘটাতে,
মধুর মলয়সমীরে মধুর মিলন রটাতে॥
কুহকলেখনী ছুটায়ে কুসুম তুলিছে ফুটায়ে,
লিখিছে প্রণয়কাহিনী বিবিধ বরনছটাতে।
হেরো পুরানো প্রাচীন ধরণী হয়েছে শ্যামলবরনী,
যেন যৌবনপ্রবাহ ছুটেছে কালের শাসন টুটাতে।
পুরানো বিরহ হানিছে নবীন মিলন আনিছে,
নবীন বসন্ত আইল নবীন জীবন ফুটাতে॥
পাঠভেদ:
ভাবসন্ধান
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ
মায়ার খেলা (অগ্রহায়ণ ১২৯৫ বঙ্গাব্দ)।
সঙ্গীতসার দ্বিতীয় পর্ব (১৩০৬ বঙ্গাব্দ)।
বাঙ্গালীর গান (১৩১২ বঙ্গাব্দ)।
স্বরবিতান অষ্টচত্বারিংশ (মায়ার খেলা ) (আষাঢ় ১৩৩২ বঙ্গাব্দ) সপ্তম দৃশ্য, অমরের গান। পৃষ্ঠা ১২৩-১২৫।
গীতবিতানের প্রকৃতি (উপ-বিভাগ : বসন্ত ৮৩) পর্যায়ের ২৭০ সংখ্যক গান।
পত্রিকা
রেকর্ড সূত্র
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
রাগ ও তাল:
স্বরবিতান অষ্টচত্বারিংশ খণ্ডের (আষাঢ় ১৪১৩ বঙ্গাব্দ) গৃহীত স্বরলিপিতে রাগ-তালের উল্লেখ নেই। উক্ত স্বরলিপিটি ৪।৪ মাত্রা ছন্দে যৎ/কাহারবা তালে নিবদ্ধ।
[স্বরলিপি]রাগ: বাহার। তাল: কাহারবা। [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। (প্যাপিরাস, ডিসেম্বর, ২০০৬)] । পৃষ্ঠা: ৭১।
রাগ : সিন্ধু, সাহানা। তাল: কাহারবা। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, জুলাই ২০০১], পৃষ্ঠা: ১২৪।]
গ্রহস্বর-সা। লয়-মধ্য।