বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা: ৫৪
শিরোনাম:
মহাসিংহাসনে বসি শুনিছ, হে বিশ্বপিত
পাঠ ও পাঠভেদ:
মহাসিংহাসনে বসি শুনিছ, হে বিশ্বপিত,
তোমারি রচিত ছন্দে মহান্ বিশ্বের গীত॥
মর্তের মৃত্তিকা হয়ে ক্ষুদ্র এই কণ্ঠ লয়ে
আমিও দুয়ারে তব হয়েছি হে উপনীত॥
কিছু নাহি চাহি, দেব, কেবল দর্শন মাগি।
তোমারে শুনাব গীত, এসেছি তাহারি লাগি।
গাহে যেথা রবি শশী সেই সভামাঝে বসি
একান্তে গাহিতে চাহে এই ভকতের চিত॥
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান: রচনাকাল সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না। ধারণা করা হয়, ১১ মাঘ ১২৮৭ বঙ্গাব্দ [রবিবার ২৩ জানুয়ারি ১৮৮১ খ্রিষ্টাব্দ] তারিখে অনুষ্ঠিত একপঞ্চাশৎ (৫১) মাঘোৎসব উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথ এই গানটি রচনা করেছিলেন। এই বিচারে ধারণা করা হয়- গানটি রবীন্দ্রনাথের ১৯ বৎসর বয়সের রচনা।
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থাবলী [আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী ভৈরবী- তাল ঝাঁপতাল। পৃষ্ঠা: ৪৪৮] [নমুনা]
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা (আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রতিভা, ১৩০০)
গীতবিতান
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। পূজা ও প্রার্থনা: ৪।
রবিচ্ছায়া (সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, ১২৯২ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত ৩। ভৈরবি- ঝাঁপতাল। পৃষ্ঠা: ১০৫। [নমুনা: ১০৫]
স্বরবিতান অষ্টম (৮) খণ্ডের ২৮ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা: ৬৫-৬৬।
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন
১২৮৭)। রাগিণী ভৈরবী-তাল ঝাঁপতাল। পৃষ্ঠা: ২০৬ [নমুনা]
পরিবেশনা: এই গানটি ১১ মাঘ ১২৮৭ বঙ্গাব্দ [রবিবার ২৩ জানুয়ারি ১৮৮১ খ্রিষ্টাব্দ] তারিখে অনুষ্ঠিত একপঞ্চাশৎ (৫১) মাঘোৎসবের প্রাতঃকালীন অধিবেশনে গীত হয়েছিল।
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
ভাঙা গান:
স্বরলিপিকার: সুরেন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায়। স্বরবিতান-৩৬, সঙ্গীত-প্রকাশিকা, গীতলিপি-১।
সুর ও তাল:
রাগ: ভৈরবী। তাল: ঝাঁপতাল। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬। পৃষ্ঠা: ৭৩]
রাগ: ভৈরবী। তাল: ঝাঁপতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ১২৬।]