vina
প্রাচীন ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে ব্যবহৃত তারের সকল যন্ত্রই সাধারণ ভাবে
বীণা নামে অভিহিত হয়েছে। সটান তারে আঘাত করলে যে টঙ্কার তৈরি হয়, তা থেকে প্রথম
তৈরি হয়েছিল একতন্ত্রী বীণা। সম্ভবত একালের একতার সেই বীণারই একটি রূপ। কালক্রমে
তারের সংখ্যা এবং কাঠামোগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নানাধরনের বীণার উদ্ভব ঘটে।
বৃহদারণ্যক উপনিষদে দুন্দুভি, শঙ্খ ও বীণার নাম পাওয়া যায়। বিভিন্ন পৌরাণিক গ্রন্থে
নানা ধরনের বীণার নাম পাওয়া যায়। একালে তার সবগুলোর নমুনা পাওয়া যায় না। বর্তমান
আধুনিক যুগে কিছু তারের যন্ত্রকে সংস্কার করে নতুন যন্ত্র তৈরি করা হয়েছে। সেগুলোর
উদ্ভাবক বীণার প্রকরণ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। নিচে সব মিলিয়ে যে সকল বীণার নাম
পাওয়া যায়, তার তালিকা দেওয়া হলো।
-
একতন্ত্রী বীণা
-
কচ্ছপী বীণা
-
কণ্ডোল বীণা
-
কলাবতী বীণা
-
চিত্র বীণা
-
বিচিত্র বীণা
-
বৃহতী
বীণা
-
মহতী
বীণা
-
মোহন বীণা
-
রুদ্রবীণা
-
লক্ষ্মী বীণা
-
সরস্বতী বীণা
-
হংস বীণা
সূত্র :
- চলন্তিকা। রাজশেখর বসু। এমসি সরকার অ্যান্ড সন্স প্রাইভেট লিঃ।
১৪০৮।
- বঙ্গীয় শব্দকোষ (প্রথম খণ্ড)। হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সাহিত্য
অকাদেমী। ২০০১।
- বাংলা একাডেমী ব্যবহারিক বাংলা অভিধান। মার্চ ২০০৫।
- বাংলা বানান চিন্তা (প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড)। অধ্যাপক পি.
আচার্য। জুলাই ১৯৯৭।
- রাগ-তালের মৌল বিষয় ও নুতন সংগীতলিপি-পদ্ধতি। শ্রীনিখিল ঘোষ। ১৯৬৮।
- বাঙ্গালা ভাষার অভিধান (প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড)। জ্ঞানেন্দ্রমোহন
দাস। সাহিত্য সংসদ। নভেম্বর ২০০০।
- শব্দবোধ অভিধান। আশুতোষ দেব। দেব সাহিত্য কুটির। মার্চ ২০০০।
- শব্দসঞ্চয়িতা। ডঃ অসিতকুমার বন্দোপাধ্যায়। নিউ সেন্ট্রাল বুক
এজেন্সি প্রাঃ লিমিটেড। ২৩শে জানুয়ারি, ১৯৯৫।
- শব্দার্থ প্রকাশিকা। কেশবচন্দ্র রায় কর্মকার। দেব সাহিত্য কুটির।
মার্চ ২০০০।
- সংসদ বাংলা অভিধান। সাহিত্য সংসদ। শৈলেন্দ্র বিশ্বাস। মার্চ ২০০২।
- সংস্কৃত বাংলা অভিধান। শ্রীঅশোককুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। সংস্কৃত
পুস্তক ভাণ্ডার, বইমেলা ১৪০৮
- সরল বাঙ্গালা
অভিধান। সুবলচন্দ্র
মিত্র।
-
wordnet 2.1