ব্যাখ্যা: কোনো সত্তার সঙ্গে প্রথম পরিচয় বা পরবর্তী অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তার কোনো একটি বৈশিষ্ট্য, গুণ, অবস্থা বা কার্য সম্পর্কে যে স্বতন্ত্র ও অবিভাজ্য জ্ঞান জন্মে, তাকে অভিজ্ঞা বলা হয়। অভিজ্ঞা হলো জ্ঞানের ক্ষুদ্রতম একক; এটি নিজে পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান নয়, বরং জ্ঞান গঠনের ভিত্তি। একটি সত্তা সম্পর্কে বিভিন্ন সময়ে অর্জিত বহু অভিজ্ঞা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সেই সত্তা সম্পর্কে পূর্ণতর উপলব্ধি ও জ্ঞান সৃষ্টি করে। অর্থাৎ, অভিজ্ঞা হলো জ্ঞানের নির্মাণ-উপাদান, আর জ্ঞান হলো বহু অভিজ্ঞার সমন্বিত রূপ। উদাহরণস্বরূপ, কোনো ব্যক্তি প্রথমবার আগুন দেখে তার আলো সম্পর্কে একটি অভিজ্ঞা লাভ করে। পরে আগুনের তাপ অনুভব করে দ্বিতীয় অভিজ্ঞা অর্জন করে। আবার আগুনে স্পর্শ করে দহনক্ষমতা সম্পর্কে তৃতীয় অভিজ্ঞা লাভ করে। এই পৃথক অভিজ্ঞাগুলোর সমন্বয়ে তার মনে আগুন সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান গড়ে ওঠে।
(cognition, knowledge, noesis) কোনো সত্তা, ঘটনা বা বিষয় সম্পর্কে অর্জিত বহু অভিজ্ঞার সমন্বয়ে গঠিত সুসংবদ্ধ উপলব্ধিকে জ্ঞান বলে। :