তোমারি তরে, মা, সঁপিনু এ দেহ। তোমারি তরে, মা, সঁপিনু প্রাণ॥
তোমারি শোকে এ আঁখি বরষিবে, এ বীণা তোমারি গাহিবে গান॥
যদিও এ বাহু অক্ষম দুর্বল তোমারি কার্ষ সাধিবে।
যদিও এ অসি কলঙ্কে মলিন তোমারি পাশ নাশিবে॥যদিও, হে দেবী, শোণিতে আমার কিছুই তোমার হবে না
তবু, ওগো মাতা পারি তা ঢালিতে একতিল তব কলঙ্ক ক্ষালিতে-
নিভাতে তোমার যাতনা।
যদিও, জননী, যদিও আমার এ বীণায় কিছু নাহিক বল
কী জানি যদি, মা, একটি সন্তান, জাগি উঠে শুনি এ বীণাতান॥
তোমারি
তরে মা সঁপিনু দেহ।
: রবিচ্ছায়া (১২৯২)
গীতবিতান (আশ্বিন ১৩৩৮)
প্রকৃতপক্ষে গানটির রচনাকাল সম্পর্কে স্পষ্ট কিছুই জানা যায় না। তাই প্রকাশকালের
বিচারে একে রবীন্দ্রনাথের চতুর্থ গান হিসাবে বিবেচনা করা হলো।
প্রকাশকালের সময় রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল- ১৬ বৎসর ৫ মাস।
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপিকার:
সরলাদেবী শতগান (১৩০৭)
সুর ও তাল:
স্বরবিতান ৪৭ খণ্ডে গানটির রাগ-তালের উল্লেখ নেই। স্বরলিপিটি ৩।৩।৩।৩। মাত্রিক ছন্দে একতালে নিবদ্ধ।
রাগ দেশ। তাল একতাল [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬], পৃষ্ঠা: ৫৭ ।
রাগ: জয়জয়ন্তী। তাল একতাল, ঢালা [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, জুলাই ২০০১, পৃষ্ঠা: ১০০।
বিষয়াঙ্গ: জাতীয় সঙ্গীত
সুরাঙ্গ: স্বকীয়
গ্রহস্বর: রা
লয়: মধ্য।