বিষয়:
রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
এসেছি গো এসেছি
পাঠ
ও পাঠভেদ:
- গীতবিতান (বিশ্বভারতী,
কার্তিক ১৪১২)-এর
পাঠ:
প্রেম : ৩৫৮
এসেছি গো এসেছি, মন দিতে এসেছি
যারে ভালো বেসেছি।
ফুলদলে ঢাকি মন যাব রাখি চরণে,
পাছে কঠিন ধরণী পায়ে বাজে।
রেখো রেখো চরণ হৃদি-মাঝে।
নাহয় দ'লে যাবে, প্রাণ ব্যথা পাবে―
আমি তো ভেসেছি, অকূলে ভেসেছি॥
তথ্যানুসন্ধান
গ.
সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
-
স্বরলিপি ও স্বরলিপিকার:
-
জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর।
[স্বরলিপি-গীতিমালা (১৩০৪ বঙ্গাব্দ)]
[ জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর
-কৃত রবীন্দ্রসঙ্গীতের তালিকা]
[স্বরলিপি]
-
স্বরলিপিকার
অনুল্লিখিত।
[সঙ্গীত-প্রকাশিকা (আশ্বিন ১৩১১ বঙ্গাব্দ)]
[স্বরলিপি]
- সুর
ও তাল:
-
স্বরবিতান অষ্টচত্বারিংশ (৪৮, মায়ার খেলা)
খণ্ডের (আষাঢ়
১৪১৩
বঙ্গাব্দ)
সুরভেদ/ছন্দভেদ অংশে গানটির স্বরলিপি-গীতিমালায় (১৩০৪ বঙ্গাব্দ)
মুদ্রিত
জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্বরলিপিটির সুরভেদ দেখানো হয়েছে (পৃষ্ঠা
১৫৩)।
-
স্বরবিতান অষ্টচত্বারিংশ (৪৮, মায়ার খেলা)
খণ্ডের (আষাঢ়
১৪১৩
বঙ্গাব্দ)
গৃহীত গানটির
স্বরলিপিতে রাগ-তালের কোন উল্লেখ নেই।
গানটি ৩।৩।৩।৩ মাত্রা
ছন্দে একতাল তালে নিবদ্ধ।
[একতাল
তালে নিবদ্ধ রবীন্দ্রসঙ্গীতের তালিকা]
-
রাগ : পিলু। [রবীন্দ্রসঙ্গীতে
রাগ-নির্ণয়। ভি.ভি. ওয়াঝলওয়ার। রবীন্দ্রনাথের প্রেমের গান।
সংগীত-শিক্ষায়তন। বৈশাখ ১৩৯০। পৃষ্ঠা : ৭২]
-
রাগ: পিলু-বারোয়াঁ।
তাল:
ত্রিতাল
[রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা
। সুধীর চন্দ। (প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬)। পৃষ্ঠা: ৩৮]।
-
রাগ: পীলু। তাল:
একতাল [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার
চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমী, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ৭১]
-
গ্রহস্বর:
সা।
-
লয়: মধ্য।