বিষয়:
রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
বড়ো বেদনার মতো বেজেছ তুমি হে আমার
প্রাণে,
পাঠ
ও পাঠভেদ:
- গীতবিতান (বিশ্বভারতী,
কার্তিক ১৪১২)-এর
পাঠ:
বড়ো বেদনার মতো বেজেছ তুমি হে আমার
প্রাণে,
মন যে কেমন করে মনে মনে তাহা মনই জানে॥
তোমারে হৃদয়ে ক'রে আছি
নিশিদিন ধ'রে,
চেয়ে থাকি আঁখি ভ'রে
মুখের পানে॥
বড়ো আশা, বড়ো তৃষা, বড়ো আকিঞ্চন তোমারি
লাগি
বড়ো সুখে, বড়ো দুখে, বড়ো অনুরাগে রয়েছি
জাগি।
এ জন্মের মতো আর হয়ে গেছে যা হবার,
ভেসে গেছে মন প্রাণ মরণ টানে॥
-
পাণ্ডুলিপির পাঠ:
-
তথ্যানুসন্ধান
- ক. রচনাকাল ও স্থান:
১৩০০ বঙ্গাব্দের ২৭ আষাঢ় [১০ জুলাই ১৮৯৩]
তারিখে সাজাদপুরে অবস্থানকালে রবীন্দ্রনাথ দুটি গান রচনা করেন। এই সময়
রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৩২ বৎসর ৩ মাস বয়স।
-
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
- গ্রন্থ:
-
কাব্যগ্রন্থ, অষ্টম খণ্ড (১৩১০ বঙ্গাব্দ)।
-
কাব্যগ্রন্থ, দশম খণ্ড, (ইন্ডিয়ান প্রেস ১৩২৩ বঙ্গাব্দ), বিবিধ সঙ্গীত।
পৃষ্ঠা: ১৩৪। [১৩৪]
-
কাব্যগ্রন্থাবলী
[আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩।
গান। কীর্তনের সুর। পৃষ্ঠা:
৪২৯] [নমুনা]
-
গান
- গীতবিতান
-
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ
[বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮।
কাব্যগ্রন্থাবলী (১৩০৩
বঙ্গাব্দ)
'গান' অংশ থেকে গৃহীত হয়েছে। পৃষ্ঠা: ৯৮] [নমুনা]
-
গীতবিতান-এর
প্রেম (প্রেম
বৈচিত্র্য-৩০)
পর্যায়ের
৫৭ সংখ্যক গান।
- বাঙ্গালীর গান (১৩১২ বঙ্গাব্দ)।
-
স্বরবিতান ত্রয়োদশ
(১৩)
খণ্ডের (জ্যৈষ্ঠ ১৪১৩)
২৪ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা : ৬৪-৬৬।
- পত্রিকা:
- প্রবাসী পত্রিকা
(শ্রাবণ ১৩২৮ বঙ্গাব্দ)।
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
- স্বরলিপি:
- স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ
ঠাকুর।
- সুর ও তাল:
- স্বরবিতান ত্রয়োদশ
(১৩)
খণ্ডের (জ্যৈষ্ঠ ১৪১৩)
গৃহীত স্বরলিপিতে গানটির রাগ-তালের উল্লেখ নেই।
গানটির স্বরলিপি ৩।৩।৩। ছন্দে 'একতালে' তালে
নিবদ্ধ।
- রাগ : মিশ্র পরজ। [রবীন্দ্রসঙ্গীতে
রাগ-নির্ণয়। ভি.ভি. ওয়াঝলওয়ার। রবীন্দ্রনাথের প্রেমের গান
।সংগীত-শিক্ষায়তন। বৈশাখ ১৩৯০। পৃষ্ঠা : ৭৮]
-
রাগ: কালেংড়া। তাল:
একতাল। [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। (প্যাপিরাস,
ডিসেম্বর, ২০০৬)। পৃষ্ঠা: ৬৭
-
অঙ্গ: কীর্তন। তাল: একতাল।
[রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত।
প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমী, জুলাই ২০০১।
পৃষ্ঠা: ১১৬]
গ্রহস্বর : র্সা
লয় : মধ্য।