বিষয়:
রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
রজনী
পোহাইল― চলেছে যাত্রীদল,
পাঠ
ও পাঠভেদ:
রজনী পোহাইল― চলেছে যাত্রীদল,
আকাশ পূরিল কলরবে।
সবাই যেতেছে মহোৎসবে॥
কুসুম ফুটেছে বনে, গাহিছে পাখিগণে―
এমন প্রভাত কি আর হবে।
নিদ্রা আর নাই চোখে বিমল অরুণালোকে
জাগিয়া উঠেছে আজি সবে॥
চলো গো পিতার ঘরে, সারা বৎসরের তরে
প্রসাদ-অমৃত ভিক্ষা লবে॥
ওই হেরো তাঁর দ্বার জগতের পরিবার
হেথায় মিলেছে আজি সবে―
ভাই বন্ধু সবে মিলি করিতেছে কোলাকুলি,
মাতিয়াছে প্রেমের উৎসবে॥
যত চায় তত পায়― হৃদয় পূরিয়া যায়,
গৃহে ফিরে জয়-জয়-রবে
সবার মিটেছে সাধ― লভিয়াছে আশীর্বাদ,
সম্বৎসর আনন্দে কাটিবে।
পাণ্ডুলিপির পাঠ: পাওয়া যায়নি।
পাঠভেদ:
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান: ১লা বৈশাখ ১২৯১ তারিখে, মহর্ষিভবনে (প্রাতঃকালে) নববর্ষ ব্রাহ্মসমাজ'-এর জন্য তিনি এই গানটি-সহ মোট চারটি গান লিখেছিলেন।
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
গান (ইন্ডিয়ান প্রেস। ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)। বিভাস, ঝাঁপতাল। পৃষ্ঠা: ২৫৯-২৬০। ব্রহ্মসঙ্গীত। [নমুনা: ২৫৯, ২৬০]
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা (আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, ১৩০০)।
রবিচ্ছায়া
(সাধারণ
ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, ১২৯২ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত
১৭।
রাগিণী
বিভাস- তাল ঝাঁপতাল।
পৃষ্ঠা: ১১৫-১১৬।
[নমুনা:
১১৫,
১১৬]
রেকর্ডসূত্র:
প্রকাশের
কালানুক্রম:
গ. সঙ্গীতবিষয়ক তথ্যাবলি:
স্বরলিপি: স্বরলিপি পাওয়া যায়নি।
স্বরলিপিকার:
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত।