সঙ্কেতচিহ্ন
বার্তা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত অর্থবহ চিহ্ন।
ঊর্ধ্বক্রমবাচকতা
{সঙ্কেতচিহ্ন |
যোগাযোগ |
বিমূর্তন |
বিমূর্ত সত্তা |
সত্তা |
}
ইংরেজি:
signal, signaling, sign
ব্যাখ্যা: সঙ্কেতচিহ্ন হলো যোগাযোগের এমন একটি মাধ্যম, যার দ্বারা কোনো ব্যক্তি, প্রাণী বা যন্ত্র অন্য ব্যক্তি, প্রাণী বা যন্ত্রের কাছে একটি নির্দিষ্ট অর্থ, অবস্থা, নির্দেশ বা বার্তা পৌঁছে দেয়। সঙ্কেতচিহ্ন দৃশ্যমান, শ্রাব্য, স্পর্শনির্ভর কিংবা অন্য যেকোনো রূপের হতে পারে।
মানবসভ্যতার প্রাথমিক পর্যায়ে ভাবপ্রকাশের প্রধান মাধ্যম ছিল বিভিন্ন ধরনের সঙ্কেত। কোনো সঙ্কেত যখন দীর্ঘকাল একটি নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়ে সামাজিক স্বীকৃতি লাভ করে, তখন তা প্রতীক (symbol) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীকালে সেই প্রতীককে স্থায়ীভাবে প্রকাশ করার জন্য লিখিত প্রতীক এবং লিপির উদ্ভব ঘটে।
অধঃক্রমবাচকতা Symbol)
প্রচলিত ও সামাজিকভাবে স্বীকৃত অর্থবাহী সঙ্কেতচিহ্ন।
দৃশ্য-সঙ্কেত (visual signal) : দৃশ্যমান রূপে প্রকাশিত সঙ্কেত।
শ্রাব্য-সঙ্কেত (auditory signal) : ধ্বনি বা শব্দের মাধ্যমে প্রকাশিত সঙ্কেত।
অঙ্গভঙ্গিজাত সঙ্কেত (gesture signal) : দেহভঙ্গি বা অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে প্রকাশিত সঙ্কেত।
সতর্কতাসঙ্কেত (warning signal) : বিপদ, সতর্কতা বা বিশেষ অবস্থার নির্দেশক সঙ্কেত।