যোগাযোগ
১.  ঊর্ধ্বক্রমবাচকতা  { যোগাযোগ | বিমূর্তন | বিমূর্ত-সত্তা | সত্তা }
অর্থ: কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সত্তার দ্বারা অন্য ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সত্তার কাছে প্রকাশিত বা প্রেরিত তথ্য, ভাব, বক্তব্য বা বার্তাকে যোগাযোগ বলে।

অধঃক্রমবাচকতা


২, ঊর্ধ্বক্রমবাচকতা  {যোগাযোগ | মনুষ্য কার্যকলাপঘটনামনস্তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য | বিমূর্তন | বিমূর্ত-সত্তা | সত্তা }
অর্থ: ব্যক্তি, দল বা জনগোষ্ঠীর মধ্যে তথ্য, ভাব, অনুভূতি বা বার্তা আদান-প্রদানের মনুষ্য কার্যকলাপ। এখানে যোগাযোগ হলো এমন একটি মনুষ্য কার্যকলাপ, যার মাধ্যমে ব্যক্তি, দল বা জনগোষ্ঠী ভাষা, লেখা, অঙ্গভঙ্গি, সংকেত, প্রতীক কিংবা অন্য কোনো মাধ্যম ব্যবহার করে তথ্য, ভাব, অনুভূতি, জ্ঞান বা নির্দেশ একে অপরের কাছে আদান-প্রদান করে। যোগাযোগের উদ্দেশ্য কেবল তথ্য প্রেরণ নয়; পারস্পরিক বোঝাপড়া সৃষ্টি, মতবিনিময়, জ্ঞান বিস্তার, সহযোগিতা প্রতিষ্ঠা এবং সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখাও এর গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য। মানবসভ্যতার শিক্ষা, সংস্কৃতি, প্রশাসন, অর্থনীতি ও সামাজিক জীবন যোগাযোগের ওপর নির্ভরশীল।

৩.  ঊর্ধ্বক্রমবাচকতা  {যোগাযোগ । সংযোগসম্পর্ক | বিমূর্তন | বিমূর্ত-সত্তা | সত্তা }
অর্থ: ব্যক্তি, স্থান বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, যাতায়াত বা তথ্য আদান-প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি করে এমন সংযোগ। এই যোগাযোগ কোনো তথ্য প্রেরণের প্রক্রিয়া নয়; বরং একাধিক সত্তার মধ্যে বিদ্যমান এমন একটি সম্পর্ক বা সংযোগ , যার মাধ্যমে তারা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এই সংযোগ ব্যক্তি, স্থান, বস্তু বা ঘটনার মধ্যে বিদ্যমান হতে পারে। এই ধরনের যোগাযোগের ক্ষেত্রে কোনো দৃশ্যমান বস্তু নিজে যোগাযোগ নয়; বরং দৃশ্যমান বা অদৃশ্য কোনো মাধ্যমের মাধ্যমে যে সম্পর্ক বা যোগসূত্র সৃষ্টি হয়, সেটিই যোগাযোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

অধঃক্রমবাচকতা