ইরানের স্বপ্ন
নজরুলের রচিত বেতার গীতিকা।

১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই মার্চ  (শনিবার, ৩০ ১৩৪৬), সন্ধ্যা ৭.১৫-৭.৫৯টায় কলকাতা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রথম প্রচারিত হয়েছিল 'ইরানের স্বপ্ন' নামক গীতিকা। পারশ্য দেশীয় সুরাবলম্বনে রচিত গান দিয়ে এই সঙ্গীতানুষ্ঠান সাজানো হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানের সংগঠক ছিলেন নজরুল ইসলাম। 

প্রথম প্রচার

দ্বিতীয় প্রচার: এই প্রচারের সময় বেতার  জগৎ পত্রিকার ১১শ বর্ষ ২০শ সংখ্যার [পৃষ্ঠা: ১০৬৮] আমাদের কথা বিভাগের 'ইরাণের স্বপ্ন' অংশে লেখা হয়েছিল-

'কবি নজরুল ইস্‌লামের সঙ্গীতানুষ্ঠানগুলি আমাদের কলিকাতা কেন্দ্রের প্রত্যাহিক অনুষ্ঠান-সূচীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ। শব্দ-লালিত্যে, রচনা-চাতুর্য্যে ও সুর-মাধুর্য্যে এই অনুষ্ঠানগুলি বেতার শ্রোতৃবৃন্দের কাছে সবিশেষ আদরণীয় হ'য়েছে। কবি নজরুল এবারে ২৬শে অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যা আটটায় "ইরাণের স্বপ্ন" নামক একটি অনুষ্ঠানে তাঁর কৃতিত্বের আর একটি পরিচয় প্রদান করবেন। এই অনুষ্ঠানে পারস্যদেশীয় সঙ্গীত-মাধুর্যের অনেকটা আভাস পাওয়া যাবে। আশা করি, আমাদের সঙ্গীতরস-পিপাসু শ্রোতৃবৃন্দ এই "ইরাণের স্বপ্নের" কথা বিস্মৃত হবেন না। [পত্রিকার প্রকাশিত বানান অবিকৃত রাখা হয়েছে]

দ্বিতীয় প্রচারের অনুষ্ঠান সূ্চী
বেতার  জগৎ পত্রিকার ১১শ বর্ষ ২০শ সংখ্যার [পৃষ্ঠা: ১০]

কলকাতা বেতার কেন্দ্র। [২৬ অক্টোবর ১৯৪০ (শনিবার ৯ কার্তিক ১৩৪৭)]। সান্ধ্য অনুষ্ঠান। প্রচার সময়: রাত ৮টা থেকে ৮.৩০টা। বেতার জগৎ পত্রিকার ১১শ বর্ষ, ২০শ [১৬ অক্টোবর ১৯৪০] সংখ্যার ১১০৯ পৃষ্ঠায় এই অনুষ্ঠানের বিষয়ে প্রকাশিত  তথ্য ছিল-

উভয় প্রচারে মোট ৫টি গান প্রচারিত হয়েছিল। গানটি হলো-

    1. আয় ইরানী মেয়ে জংলা-পথ বেয়ে [তথ্য]
    2. ইরানের বুলবুলি কি এলে [তথ্য]
    3. ইরানের রূপ-মহলের শাহজাদী শিঁরী [তথ্য]
    4. পরি' জাফরানী ঘাগরি [তথ্য]
    5. ফুলের জলসায় নীরব কেন কবি [তথ্য]

সূত্র: