বিষয়:
রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
একি আকুলতা
ভুবনে! একি চঞ্চলতা পবনে
পাঠ ও পাঠভেদ:
একি আকুলতা ভুবনে! একি চঞ্চলতা পবনে॥
একি মধুরমদির রসরাশি আজি শূন্যতলে চলে ভাসি,
ঝরে চন্দ্রকরে একি হাসি, ফুল- গন্ধ লুটে গগনে॥
একি প্রাণভরা অনুরাগে আজি বিশ্বজগতজন জাগে,
আজি নিখিল নীলগগনে সুখ- পরশ কোথা হতে লাগে।
সুখে শিহরে সকল বনরাজি, উঠে মোহনবাঁশরি বাজি,
হেরো পূর্ণবিকশিত আজি মম অন্তর সুন্দর স্বপনে॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ:
MS. NO 290
MS. NO 426 (i)
তথ্যানুসন্ধান:
ক. রচনাকাল ও স্থান:
১৬ কার্তিক, ১৩০২ বঙ্গাব্দ [শুক্রবার, ১ নভেম্বর ১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দ]।
জোড়াসাঁকো। গানটি রবীন্দ্রনাথের ৩৪ বৎসর ৬ মাস বয়সের রচনা।
[রবীন্দ্রনাথের
৩৪ বৎসর বয়সে রচিত গানের তালিকা]
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড (মজুমদার লাইব্রেরি ১৩১০)
কাব্যগ্রন্থ, দশম খণ্ড, (ইন্ডিয়ান প্রেস ১৩২৩ বঙ্গাব্দ), বিবিধ সঙ্গীত। পৃষ্ঠা: ১১২-১১৩। [নমুনা: ১১২, ১১৩]
কাব্যগ্রন্থাবলী [আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩। গান। বাহার। পৃষ্ঠা: ৪৩২][নমুনা]
প্রথম সংস্করণ [সিটি বুক সোসাইটি, ১৩১৫ বঙ্গাব্দ। বাহার। পৃষ্ঠা: ৭৩ [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
ইন্ডিয়ান প্রেস ১৩১৬
ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস ১৩২১
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮। কাব্যগ্রন্থাবলী (১৩০৩ বঙ্গাব্দ) 'গান' অংশ থেকে গৃহীত হয়েছে । পৃষ্ঠা: ১০৮-১০৯] [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
দ্বিতীয় খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, মাঘ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ)।
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, পৌষ ১৩৮০ বঙ্গাব্দ)। প্রকৃতি (উপবিভাগ: সাধারণ-৩) পর্যায়ের তৃতীয় গান।
স্বরবিতান দশম (১০) খণ্ডের (পৌষ ১৪১৩ বঙ্গাব্দ) ১৭ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা : ৫৪-৫৬
সুরান্তর : ৫৬-৫৮ পৃষ্ঠা।
স্বরলিপি-গীতিমালা (১৩০৪ বঙ্গাব্দ)। জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত।
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপিকার:
জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর। [স্বরলিপি-গীতিমালা (১৩০৪ বঙ্গাব্দ) থেকে স্বরবিতান দশম (১০) খণ্ডের (পৌষ ১৪১৩ বঙ্গাব্দ), 'সুরভেদ/ছন্দোভেদ' পত্রে ১৭ সংখ্যক গানের সুরান্তর হিসেবে দেখানো হয়েছে। মূল গানটির স্বরলিপিকার কে, এবিষয়ে স্বরবিতান থেকে জানা যায় না।]
ইন্দিরাদেবী চৌধুরানী। [অমলা দাশ-এর কণ্ঠে গীত গ্রামোফোন রেকর্ড অনুসারে
ইন্দিরদেবী স্বরলিপি করেছেন। এই স্বরলিপিটি থেকে
স্বরবিতান দশম (১০) খণ্ডের (পৌষ ১৪১৩ বঙ্গাব্দ)
১৭ সংখ্যক গানের সুরান্তর হিসেবে দেখানো হয়েছে। পৃষ্ঠা: ৫৬-৫৮।]
[প্রথম
স্বরলিপি]
[দ্বিতীয়
স্বরলিপি]
সুর ও তাল:
রাগ: বাহার। তাল: ত্রিতাল। [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা । সুধীর চন্দ। (প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬)। পৃষ্ঠা: ৩৫]।