হেরিয়া শ্যামল ঘন নীল গগনে
সেই সজল কাজল আঁখি পড়িল মনে॥
অধর করুণা-মাখা, মিনতিবেদনা আঁকা
নীরবে চাহিয়া থাকা বিদায়খনে॥
ঝরঝর ঝরে জল, বিজুলি হানে,
পবন মাতিছে বনে পাগল গানে,
আমার পরানপুটে কোন্খানে ব্যথা ফুটে,
কার কথা জেগে উঠে হৃদয়কোণে॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ:
পাঠভেদ:
সেই সজল কাজল আঁখি : স্বরলিপি, কেতকী (শ্রাবণ ১৩৩৫ বঙ্গাব্দ)।
সজল কাজল আঁখি : গান (১৯০৯ সাল)
কথার অংশ, কেতকী (শ্রাবণ ১৩৩৫ বঙ্গাব্দ)
গীতবিতান (আশ্বিন ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ)।
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
RBVBMS 426 (i)
পাণ্ডুলিপিতে
লিখিত এই গানের নিচে গানটি রচনার স্থান ও রচনাকাল উল্লেখ আছে- '৬ই আশ্বিন।
ইছামতী/ঝড় বাদ্লা'।
১৩০৪ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসের শুরুতে রবীন্দ্রনাথ শিলাইদহে যান। তারপর তিনি পাবনার
ইছামতী, যমুনা, বড়াল, বলেশ্বরী নদী ধরে সাজাদপুরের উদ্দেশ্যে পৌঁছান ৮ তারিখে।
পথিমধ্যে ইছামতী নদীতে বোটে থাকাবস্থায় ৬ই আশ্বিন রবীন্দ্রনাথ এই গানটি
রচনা করেন।
এই সময় রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৩৬ বৎসর ৫ মাস।
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কল্পনা, নব-বিরহ (বৈশাখ ১৩০৭ বঙ্গাব্দ)।
কাব্যগ্রন্থ, ৮ম ভাগ: গান বিবিধ সঙ্গীত।
কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড। বিবিধ। মল্লার। (মজুমদার লাইব্রেরি, ১৩১০ বঙ্গাব্দ)। পৃষ্ঠা: ২৮-২৯ [নমুনা: ২৮-২৯]
কেতকী, (শ্রাবণ ১৩২৬ বঙ্গাব্দ)। দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত।
প্রথম সংস্করণ [সিটি বুক সোসাইটি, ১৩১৫ বঙ্গাব্দ। মল্লার। পৃষ্ঠা: ২৬-২৭। [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
গীতবিতান
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ
[বিশ্বভারতী, ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ। ১৩০৭ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত
'কল্পনা' নামক
কাব্যগ্রন্থ থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ১৮৯] [নমুনা]
স্বরবিতান একাদশ (১১, কেতকী) খণ্ড (বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৪১৬), গান সংখ্যা: ২৩, পৃষ্ঠা ৭০-৭১।
রেকর্ডসূত্র:
প্রকাশের
কালানুক্রম:
গ. সঙ্গীতবিষয়ক তথ্যাবলি:
স্বরলিপি: [স্বরলিপি]
স্বরলিপিকার: স্বরবিতান ১১ খণ্ডটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৩২৬ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ মাসে। এই সংস্করণে দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর-কৃত স্বরলিপি গৃহীত হয়েছিল। এরপরের প্রথম সংস্করণ হয় শ্রাবণ ১৩৩৫ বঙ্গাব্দে। এই সংস্করণেও এই স্বরলিপি ছিল। ১৩৫৭ বঙ্গাব্দের জ্যৈষ্ঠ মাসে গ্রন্থটির দ্বিতীয় সংস্করণটি প্রকাশিত হয়। এই সংস্করণে দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর-কৃত স্বরলিপিটি সুরান্তর হিসেবে দেখানো হয়েছে। উল্লেখ্য এই সংস্করণটির সম্পাদনা করেছিলেন ইন্দিরাদেবী। ধারণা করা হয়, এই স্বরবিতানের দ্বিতীয় সংস্করণে গৃহীত মূল স্বরলিপিটি ইন্দিরাদেবী-কৃত।
সুর ও তাল:
স্বরবিতান একাদশ (১১, কেতকী) খণ্ডে (বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৪১৬) গৃহীত গানটির স্বরলিপিতে রাগ-তালের উল্লেখ নেই। উক্ত স্বরলিপিটি ৪।৪।৪।৪ মাত্রা ছন্দে 'ত্রিতাল' তালে নিবদ্ধ।
রাগ: গৌড় মল্লার। তাল: ত্রিতাল। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা, সুধীর চন্দ, প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬], পৃষ্ঠা: ৮৫।
রাগ: দেশ, মল্লার। তাল: ত্রিতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১], পৃষ্ঠা: ১৪৮।
বিষয়াঙ্গ:
সুরাঙ্গ:
গ্রহস্বর: রা।
লয়: মধ্য।