বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
আমি সংসারে মন দিয়েছিনু, তুমি আপনি সে মন
নিয়েছ।
পাঠ ও পাঠভেদ:
আমি সংসারে মন দিয়েছিনু, তুমি আপনি সে মন নিয়েছ।
আমি সুখ ব'লে দুখ চেয়েছিনু, তুমি দুখ ব’লে সুখ দিয়েছ ॥
হৃদয় যাহার শতখানে ছিল শত স্বার্থের সাধনে
তাহারে কেমনে কুড়ায়ে আনিলে, বাঁধিলে ভক্তিবাঁধনে ॥
সুখ সুখ করে দ্বারে মোরে কত দিকে কত খোঁজালে,
তুমি যে আমার কত আপনার এবার সে কথা বোঝালে-
করুণা তোমার কোন্ পথ দিয়ে কোথা নিয়ে যায় কাহারে-
সহসা দেখিনু নয়ন মেলিয়ে,
এনেছ তোমারি দুয়ারে ॥
প্রথম সংস্করণ [সিটি বুক সোসাইটি, ১৩১৫ বঙ্গাব্দ। ব্রহ্মসঙ্গীত। কীর্তন। পৃষ্ঠা: ৩১০-৩১১] [নমুনা প্রথমাংশ শেষাংশ]
গীতবিতান
ধর্ম্মসঙ্গীত [ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, ১৩২১ বঙ্গাব্দ। পৃষ্ঠা: ৬৯] [নমুনা]
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন ১৩০৬ বঙ্গাব্দ)। কীর্তন। পৃষ্ঠা ১৮৮-৮৯। [নমুনা]
রেকর্ড সূত্র
১৯০৮ থেকে ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের ভিতরে অডিঅন রেকর্ড কোম্পানি এই গানের একটি রেকর্ড প্রকাশ করেছিল। শিল্পী ছিলেন জে.এন. বোস। রেকর্ড নম্বর ৯৪১২৪।
১৯২৬
খ্রিষ্টাব্দে বেলেঘাটায়
গ্রামোফোন কোম্পানির স্টুডিওতে রবীন্দ্রনাথ স্বকণ্ঠে এই গানটি-সহ ২৫টি কবিতা,
আবৃত্তি পরিবেশন করেছিলেন। এই গানটির রেকর্ড নম্বর ছিল-
BD 1237/P 8367।
প্রকাশের কালানুক্রম:
১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ই মাঘ
সপ্ততিতম
সাংবাৎসরিক মাঘোৎসবের
সায়ংকালীন
উপাসনায় গানটি পরিবেশিত হয়।
এই সূত্রে
তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার 'ফাল্গুন ১৩০৬ বঙ্গাব্দ'
সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর যে সকল গ্রন্থাদিতে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল,
সে গুলো হলো-
কল্পনা প্রথম সংস্করণ (১৩০৭ বঙ্গাব্দ),
গান
প্রথম সংস্করণ
(১৩১৫ বঙ্গাব্দ),
গান
দ্বিতীয় সংস্করণ
(১৩১৬ বঙ্গাব্দ) ও
ধর্ম্মসঙ্গীত (১৩২১ বঙ্গাব্দ)।
এ সকল
গ্রন্থাদির পরে
১৩৩৮ বঙ্গাব্দে গানটি
গীতবিতান
-এর
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল।
১৩৪৮ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে প্রকাশিত
গীতবিতান
-এর
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল পূজা পর্যায়ের
উপবিভাগ
আনন্দ-এর
২৫
সংখ্যক গান হিসেবে। ১৩৭১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের
পূজা
পর্যায়ের ৩৩৩।
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপিকার: গ্রামোফোন রেকর্ডে কবি-কৃত গানটির স্বরলিপি করেছেন প্রফুল্লকুমার দাস। গানটি পরিমার্জিত করেন শৈলজারঞ্জন মজুমদার।
সুর ও তাল:
কীর্তন। তাল: একতাল। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬। পৃষ্ঠা: ৩৩]
কীর্তন। তাল: একতাল [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ৬২]
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত
সুরাঙ্গ: কীর্তনাঙ্গ
গ্রহস্বর: র্স।
লয়: মধ্য।