বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
শীতল তব পদছায়া,
তাপহরণ তব সুধা
পাঠ ও পাঠভেদ:
শীতল তব পদছায়া, তাপহরণ তব সুধা,
অগাধ গভীর তোমার শান্তি,
অভয় অশোক তব প্রেমমুখ ॥
অসীম করুণা তব, নব নব তব মাধুরী,
অমৃত তোমার বাণী ॥
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ (বিশ্বভারতী, ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ। ১৩০৩ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত 'কাব্যগ্রন্থাবলী'- ব্রহ্মসঙ্গীত অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ১৮১][নমুনা]
মূল গান : ইমন কল্যাণ । একতাল (চতুর্মাত্রিক। মধ্যগতি)
বাঙ্গুরী মোরি মুরগই জিন ছুও লঙ্গরবাকরকে কলাই ডরন লাগী-নিডর ডর জেঠানী দেত গারী ॥
সঙ্গকে লুগাই
সব দূর মূর মূসকায় গই করকে ফরক এরী ॥
-মনরঙ্গ
[ সূত্র:রবীন্দ্রসংগীত-গবেষণা-গ্রন্থমালা, ৩য় খণ্ড/শ্রীপ্রফুল্লকুমার দাস। পৃষ্ঠা ৮৬।
উল্লেখ্য. ব্রাহ্মসমাজে সঙ্গীত পরিবেশনা এবং প্রশিক্ষণের জন্য,
দেবেন্দ্রনাথ বিশিষ্ট সঙ্গীতগুরু রাধিকাপ্রসাদ গোস্বামীকে সঙ্গীতাচার্য
হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। এঁর পরিবেশিত 'বাঙ্গুরী মোরি
মুরগই জিন ছুও লঙ্গরবা' গানটির সুরের আদলে
রবীন্দ্রনাথ এই গান রচনা করেন।
স্বরলিপি: [স্বরলিপি]
স্বরলিপিকার: কাঙ্গালীচরণ সেন।
সুর ও তাল:
স্বরবিতান ত্রয়োবিংশ (২৩) খণ্ডের () গৃহীত মূল স্বরলিপিতে রাগ-তালের নাম হিসেবে ইমন কল্যাণ ও একতাল -এর উল্লেখ রয়েছে।
রাগ : ইমন কল্যাণ। তাল : একতাল। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা, সুধীর চন্দ, প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬], পৃষ্ঠা: ৭৮।
রাগ: ইমন কল্যাণ। তাল: একতালা। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১], পৃষ্ঠা: ১৩৫।
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত।
সুরাঙ্গ: খেয়ালাঙ্গ।
গ্রহস্বর: পা।
লয়: মধ্য।