সকল গর্ব দূর করি দিব,
তোমার গর্ব ছাড়িব না।
সবারে ডাকিয়া কহিব যে দিন
পাব তব পদরেণুকণা ॥
তব আহ্বান আসিবে যখন
সে কথা কেমনে করিব গোপন!
সকল বাক্যে সকল কর্মে
প্রকাশিবে তব আরাধনা ॥
যত মান আমি পেয়েছি যে কাজে
সে দিন সকলই যাবে দূরে,
শুধু তব মান দেহে মনে মোর
বাজিয়া উঠিবে এক সুরে।
পথের পথিক সেও দেখেয যাবে
তোমার বারতা মোর মুখভাবে
ভবসংসারবাতায়নতলে
ব’সে রব যবে আনমনা ॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: পাওয়া যায়নি।
পাঠভেদ:
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ ষষ্ঠ খণ্ড (ইন্ডিয়ান প্রেস ১৩১০)।
কাব্যগ্রন্থ সপ্তম খণ্ড (ইন্ডিয়ান প্রেস ১৩২৩)।
ইন্ডিয়ান প্রেস (১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী আড়ানা-একতাল। পৃষ্ঠা: ৩৫৩-৩৫৪ [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ ]
প্রথম খণ্ড (বিশ্বভারতী ১৩৪৮)
অখণ্ড, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, চৈত্র ১৪১৩), পর্যায়: পূজা ৫১৫, উপবিভাগ: বিবিধ-১৩৯, পৃষ্ঠা: । [নমুনা]
ধর্ম্মসঙ্গীত (ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, ১৩২১)। গান।
নৈবেদ্য
আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, আষাঢ় ১৩০৮ বঙ্গাব্দ।
১৩ সংখ্যক গান। রবীন্দ্ররচনাবলী অষ্টম খণ্ড (বিশ্বভারতী)। পৃষ্ঠা ১৭।
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি দ্বিতীয় ভাগ (১১ মাঘ ১৩১২ বঙ্গাব্দ)। আড়ানা-একতালা। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
স্বরবিতান ত্রয়োদশ (১৩) খণ্ড (বিশ্বভারতী, ), গান সংখ্যা: ১৯, পৃষ্ঠা ৫৩।
রেকর্ডসূত্র:
প্রকাশের
কালানুক্রম:
গ. সঙ্গীতবিষয়ক তথ্যাবলি:
স্বরলিপি: [স্বরলিপি]। ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি দ্বিতীয় ভাগ হতে স্বরবিতান ত্রয়োদশ (১৩) খণ্ডে গৃহীত হয়েছে।
স্বরলিপিকার: কাঙ্গালীচরণ সেন।
সুর ও তাল:
স্বরবিতান ত্রয়োদশ (১৩) খণ্ড (বিশ্বভারতী, ) গৃহীত গানটির স্বরলিপিতে রাগ-তালের নাম হিসেবে উল্লেখ রয়েছে যথাক্রমে আড়ানা এবং একতাল।
রাগ : আড়ানা। তাল : একতাল। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা, সুধীর চন্দ, প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬], পৃষ্ঠা: ৭৯।
রাগ: আড়ানা। তাল: একতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১], পৃষ্ঠা: ১৩৭।
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত।
সুরাঙ্গ: খেয়ালাঙ্গ।
গ্রহস্বর: মা।
লয়: মধ্য।