বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
মধুর রূপে বিরাজ হে বিশ্বরাজ
পাঠ ও পাঠভেদ:
মধুর রূপে বিরাজ হে বিশ্বরাজ,
শোভন সভা নিরখি মন প্রাণ ভুলে ॥
নীরব নিশি সুন্দর, বিমল নীলাম্বর,
শুচিরুচির চন্দ্রকলা চরণমূলে ॥
তথ্যানুসন্ধান
ক.
রচনাকাল ও স্থান:
গানটির
রচনাকাল সম্পর্কে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু জানা যায় না।
রবীন্দ্রনাথ ১৩০৩
বঙ্গাব্দের শ্রাবণ মাসের ১৪ থেকে ২৯ তারিখের মধ্যে কলকাতায় থাকাকালে এই
গানটি-সহ মোট ৯টি গান রচনা করেন।
এই সময়ে রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৩৫ বৎসর ৩-৪ মাস।
[
৩৫ বৎসর অতিক্রান্ত বয়সে রচিত গানের তালিকা]
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থাবলী [আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী তিলক কামোদ-তাল ঝাঁপতাল। পৃষ্ঠা: ৪৬৯] [নমুনা]
ইন্ডিয়ান প্রেস (১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী তিলক কামোদ, তাল ঝাঁপতাল। পৃষ্ঠা: ৩৮৬] [নমুনা]
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ (বিশ্বভারতী, ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ। ১৩০৩ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত 'কাব্যগ্রন্থাবলী'- ব্রহ্মসঙ্গীত অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ১৮৩] [নমুনা]
প্রথম খণ্ড (বিশ্বভারতী, ১৩৪৮)
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। পূজা ৫৪৪ । উপ-বিভাগ : সুন্দর-২৯।
ধর্ম্মসঙ্গীত (ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, ১৩২১)
বীণাবাদিনী (চৈত্র ১৩০৫ বঙ্গাব্দ)। স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল, তবে স্বরলিপিকারের নাম অনুল্লিখিত ছিল।
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি প্রথম ভাগ (১ মাঘ ১৩১১ বঙ্গাব্দ)। তিলক কামোদ-ঝাঁপতাল। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
স্বরবিতান চতুর্থ (৪) খণ্ডের (মাঘ ১৪১২) ২৬ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা: ৬৫।
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী ( ফাল্গুন ১৩০৩ বঙ্গাব্দ )। পৃষ্ঠা ১৯৫। ফাল্গুন ১৩০৫ বঙ্গাব্দ সংখ্যা। পৃষ্ঠা ১৯৫।
সঙ্গীত প্রকাশিকা (আষাঢ় ১৩০৯ বঙ্গাব্দ)। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
ভাঙা গান: এটি একটি ভাঙা গান।
মূল গান- তিলক কামোদ। ঝাঁপতাল (মধ্যগতি)
কৌন রূপ বনে হা রাজাধিরাজ
জু নৈন নিরখি রঙ্গাথ গাবে ॥
তজি অগুরু চন্দন, বিভূতি অঙ্গ ভূখন,
জটা মকুট কৈসা বনি বে ॥
কৈসো মুখমণ্ডল, ঝলস শ্রুতি কুণ্ডল
ভই চন্দ্র ভাল মৃগ ছাল পাবে।
বরজি বর অমর, পান বাঘাম্বর
শীষ পর গঙ্গাধর
ধরসি ধারে
॥
সঙ্গীত-মঞ্জরী : রঙ্গনাথ
দ্র: রবীন্দ্রসংগীত-গবেষণা-গ্রন্থমালা, ৩য় খণ্ড/শ্রীপ্রফুল্লকুমার দাস। পৃষ্ঠা ৪৮।
স্বরলিপি:[মূল স্বরলিপি] [সুরান্তর]
স্বরলিপিকার:
কাঙ্গালীচরণ
সেন
[ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি
প্রথম ভাগ (১ মাঘ ১৩১১ বঙ্গাব্দ)]।
উল্লেখ্য, ব্রহ্মসঙ্গীত
স্বরলিপির ১ম ভাগ ও স্বরবিতান-৪র্থ খণ্ডের ১৩৪৬ সংস্করণে- কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত
হয়েছিল। এই গ্রন্থের পরবর্তী সংস্করণ প্রকাশিত ১৩৫৮ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাসে। এই
সংস্করণের সম্পাদনা করেছিলেন ইন্দিরাদেবী। এই সংস্করণে
কাঙ্গালীচরণ
সেন-কৃত স্বরলিপিটি 'সুরভেদ/ছন্দোভেদ' অংশে স্থান পায়। সেই থেকে স্বরবিতান
চতুর্থ খণ্ডের বর্তমান মুদ্রণ (মাঘ ১৪১২)
পর্যন্ত ইন্দিরাদেবী-কৃত
সম্পাদিত স্বরলিপিটি, মূল স্বরলিপি হিসেবে প্রকাশিত হয়ে আসছে।
[কাঙ্গালীচরণ
সেন-কৃত স্বরলিপির তালিকা]
সুর ও তাল:
রাগ-তিলক কামোদ। তাল-ঝাঁপতাল। [স্বরবিতান চতুর্থ (৪) খণ্ডের (মাঘ ১৪১২) ]
রাগ: তিলক কামোদ। তাল: ঝাঁপতাল। [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। (প্যাপিরাস, ডিসেম্বর, ২০০৬)] । পৃষ্ঠা: ৭২।
রাগ: তিলক কামোদ। তাল: ঝাঁপতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, জুলাই ২০০১], পৃষ্ঠা: ১২৫।
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত।
সুরাঙ্গ: ধ্রুপদাঙ্গ
গ্রহস্বর: সা।
লয়- ঈষৎ দ্রুত।