বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম: অল্প লইয়া থাকি,
তাই মোর যাহা যায় তাহা যায়
পাঠ ও পাঠভেদ:
অল্প লইয়া থাকি, তাই মোর যাহা যায় তাহা যায়।
কণাটুকু যদি হারায় তা লয়ে প্রাণ করে ‘হায় হায়’ ॥
নদীতটসম কেবলই বৃথাই প্রবাহ আঁকড়ি রাখিবারে চাই,
একে একে বুকে আঘাত করিয়া ঢেউগুলি কোথা ধায় ॥
যাহা যায় আর যাহা-কিছু থাকে সব যদি দিই সঁপিয়া তোমাকে
তবে নাহি ক্ষয়, সবই জেগে রয় তব মহা মহিমায়।
তোমাতে রয়েছে কত শশী ভানু, হারায় না কভু অণু পরমাণু,
আমারই ক্ষুদ্র হারাধনগুলি রবে না কি তব পায় ॥
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ ষষ্ঠ খণ্ড (মজুমদার লাইব্রেরি, ১৩১০)।
কাব্যগ্রন্থ সপ্তম খণ্ড (ইন্ডিয়ান প্রেস, ১৩২৩)।
কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড (মজুমদার লাইব্রেরি, ১৩১০)।
ইন্ডিয়ান প্রেস (১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী ছায়ানট -তাল একতালা। পৃষ্ঠা: ৩৩০-৩৩১। [নমুনা: ৩৩০, ৩৩১]
প্রথম খণ্ড দ্বিতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, ১৩৪৮)
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। পূজা: ৫৯৫। শেষ-১২।
গীতিচর্চ্চা (বিশ্বভারতী ১৩৩২)
ধর্ম্মসঙ্গীত (ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, ১৩২১)। গান।
আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র। আষাঢ় ১৩০৮ বঙ্গাব্দ।
১৭ সংখ্যক গান। রবীন্দ্ররচনাবলী অষ্টম খণ্ড (বিশ্বভারতী)। পৃষ্ঠা ১৬৪-৬৫।
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি প্রথম ভাগ (১ মাঘ ১৩১১ বঙ্গাব্দ)। মিশ্র ছায়ানট-একতালা। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
স্বরবিতান চতুর্থ (৪) খণ্ডের (মাঘ ১৪১২) চতুর্থ গান। পৃষ্ঠা: ১৯-২০।
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন ১৮২৪ শকাব্দ, ১৩০৯ বঙ্গাব্দ)। ছায়ানট-একতাল।
পৃষ্ঠা: ১৭৩ [নমুনা: ১৭৩]
পরিবেশনা: ১১ মাঘ ১৩০৯ বঙ্গাব্দ [২৫ জানুয়ারি ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দ] ৭৩তম মাঘোৎসবের সন্ধ্যার অধিবেশনে এই গানটি পরিবেশিত হয়েছিল।