গান্ধারোদীচ্যবা জাতি

প্রাচীন ভারতের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের একটি প্রকরণ বিশেষ। এটি মধ্যম গ্রামের বিকৃত্জাতি। কারণ চারটি জাতির মিশ্রণে এই জাতিটি সৃষ্টি হয়েছিল। এই জাতিগুলো হলো- ষড়্‌জগ্রামের ষাড়্‌জী ধৈবতী এবং মধ্যম গ্রামের গান্ধারী মধ্যমা । এই গানের প্রচলন ছিল ভারতের উত্তরাঞ্চলে। এইকারণে এই গানের শেষে 'উদীচ্য' শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। ধারণা করা খ্রিষ্টপূর্ব ৬০০ অব্দের দিকে গ্রাম থেকে উৎপন্ন হয়েছিল মূর্চ্ছনা, আর মূর্ছনা থেকে গ্রামরাগ এবং গ্রামরাগ থেকে জাতি গানের সূচনা হয়েছিল।

গান্ধারোদীচ্যবা জাতির পরিচয়:
গ্রাম:  মধ্যম
স্বরজাতি: ষট্‌স্বরা
অংশস্বর: ষড়্‌জ এবং মধ্যম
গ্রহস্বর: ষড়্‌জ ও মধ্যম
ন্যাস স্বর: মধ্যম
অপন্যাস: ষড়্‌জ এবং ধৈবত
রস: অংশস্বর হিসেবে ষড়্‌জ ও ঋষভ ব্যবহৃত হলে- বীর, রৌদ্র ও অদ্ভুত রস হয়।

স্বরসংখ্যাভিত্তিক জাতি: এর ব্যবহার ছিল ধ্রুবা গানে। নাটকের চতুর্থ প্রেক্ষণে এর প্রয়োগ ছিল। তাল হিসেবে ব্যবহৃত হত চচ্চৎপট। 
তথ্যসূত্র: