৩২ বৎসর অতিক্রান্ত বয়স

২৫ বৈশাখ ১৩০০ বঙ্গাব্দ থেকে ২৪ বৈশাখ ১৩০১ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত (৭ মে ১৮৯৩- ৬ মে ১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দ)

১৩০০ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ শিলাইদহে ছিলেন। ১২ আষাঢ় (রবিবার ২৫ জুন ১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দ) রবীন্দ্রনাথ হৃদয় যমুনা' নামক একটি কবিতা রচনা করেন। এই কবিতাটি সোনার তরী কাব্যে স্থান পেয়েছে। [রবীন্দ্ররচনাবলী তৃতীয় খণ্ড। বিশ্বভারতী। মাঘ ১৩৯২ বঙ্গাব্দ]। রবীন্দ্রনাথ এই কবিতার প্রথম ও শেষ স্তবকে সুরারোপ করে গানে পরিণত করেন।  এই গানটি হলো —
        যদি ভরিয়া লইবে কুম্ভ

সোনার তরীর অপর কবিতা ব্যর্থ যৌবন  রচনা করেন ১৩০০ বঙ্গাব্দের ১৬ আষাঢ় (বৃহস্পতিবার ২৯ জুন ১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দ) তারিখে।  [রবীন্দ্ররচনাবলী তৃতীয় খণ্ড। বিশ্বভারতী। মাঘ ১৩৯২ বঙ্গাব্দ]। এই গানটি হলো
—
        আজি যে রজনী যায় ফিরাইব তায় কেমনে।

এই গান দুটি রচনার সময় রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৩২ বৎসর ২ মাস।

১৩০০ বঙ্গাব্দের ২৭ আষাঢ় [১০ জুলাই ১৮৯৩] তারিখে সাজাদপুরে দুটি গান রচনা করেন। গান দুটি হলো—
        বড়ো বেদনার মতো বেজেছে
        হৃদয়ের একূল ওকূল দুকূল ভেসে যায়

এই গান দুটি রচনার সময় রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৩২ বৎসর ৩ মাস।

১৩০০ বঙ্গাব্দের পৌষ মাসে রবীন্দ্রনাথ বিনি পয়সার ভোজ  [রবীন্দ্ররচনাবলী সপ্তম খণ্ড। বিশ্বভারতী। শ্রাবণ ১৩৯৩ বঙ্গাব্দ]। নামক একটি ব্যঙ্গকৌতুকধর্মী নাটক রচনা করেন। এই নাটকটি সাধান পত্রিকার পৌষ ১৩০০ বঙ্গাব্দ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। এই নাটকে একটি গান ব্যবহার করা হয়। গানটি হলো
—
        যদি জোটে রোজ এমনি বিনি পয়সার ভোজ।

এই গানটি রচনার সময় রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৩২ বৎসর ৮ মাস।

১৩০০ বঙ্গাব্দ ১১ মাঘ  [মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারি ১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দ]। এই দিনে আদি ব্রাহ্মসমাজের চতুঃষষ্ঠিতম সাংবৎসরিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছিল। উক্ত উৎসবে রবীন্দ্রনাথ মোট ৬টি নূতন গান ও 'য আত্মদা বলদা যস্য' মন্ত্রের পদ্যানুবাদ করেছিলেন। নিচে নতুন ৬টি গানের তালিকা দেওয়া হলো।

১। এ ভবন পুণ্যপ্রভাবে কর পবিত্র
২।
হৃদয়নন্দনবনে নিভৃত এ নিকেতনে [পূজা-১৬৮] [তথ্য]
৩।
আনন্দধারা বহিছে ভুবনে [পূজা-৩২৬] [তথ্য]
৪।
হে মহাপ্রবল বলী [পূজা-৪৭২] [তথ্য]
৫।
অন্তরে জাগিছ অন্তরযামী [পূজা-২৪৯] [তথ্য]
৬।
কামনা করি একান্তে [পূজা-৪১৭] [তথ্য]


১
৩০১ বঙ্গাব্দের ৮ বৈশাখ কাদম্বরী দেবীর মৃত্যর দশম বৎসরে, কাদম্বরী দেবীর স্মরণে রবীন্দ্রনাথ একটি গান রচনা করেন। গানটি হলো-
        ওহে জীবনবল্লভ, ওহে সাধন দুর্লভ।

এই গানটি রচনার সময় রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৩২ বৎসর ১২ মাস।